বিস্তারিত

মিশেল ওবামার সঙ্গে বন্ধুত্ব নিয়ে মার্কিনিদের প্রতিক্রিয়ায় হতবাক বুশ

ছবি : সংগ্রহকৃত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ফার্স্টলেডি মিশেল ওবামার (৫৭) সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মার্কিনিদের প্রতিক্রিয়ায় হতবাক হয়েছেন সাবেক রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ (৭৪)। সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন পিপল’র খবরে এমনটি বলা হয়েছে।

সাবেক ডেমোক্রেটিক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার স্ত্রীর সঙ্গে রিপাবলিকান সাবেক প্রেসিডেন্টের বন্ধুত্ব নিয়ে মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে প্রায়ই বিরূপ প্রতিক্রিয়ার কথা জানা যায়। এ নিয়ে জর্জ ডব্লিউ বুশের কাছে জানতে চান সিবিএস নিউজের নোরাহ ও’ ডোনেল।

জর্জ ডব্লিউ বুশ হতবাক হয়ে বলেন, মিশেল ওবামার মতো বিরোধীদলের কারও সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব নিয়ে আমেরিকানদের বিরূপ চিন্তা! এটি একটি ‘সমস্যা’।

২০১৬ সালে ওয়াশিংটনে ডিসির স্মিথসোনিয়ান ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব আফ্রিকান আমেরিকান হিস্টোরি অ্যান্ড কালচারে এক অনুষ্ঠানে একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন জর্জ ডব্লিউ বুশ ও মিশেল ওবামা। এরপরই দুজনের মধ্যেকার হৃদ্যতা নিয়ে আমেরিকানদের অনেকেই এ নিয়ে গুঞ্জন ছড়ায়।

২০১৮ সালের রিপাবলিকান নেতা জন ম্যাককেইনের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে পাশাপাশি বসা জর্জ ডব্লিউ বুশ মিশেলের হাতে চকলেট পুরে দেন। এ সময় দুজনকেই বেশ হাস্যোজ্জ্বল দেখাচ্ছিল। এ ঘটনা নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টিপ্পনি কাটেন আমেরিকানদের অনেকে। আলিঙ্গন নিয়ে জর্জ ডব্লিউ বুশ বলেন, ‘হ্যাঁ, সেটা বড় আলিঙ্গনই বটে।’

৪৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “এই বিষয়টি নিয়ে আমেরিকানদের প্রতিক্রিয়া আমাকে হতবাক করেছে। গাড়িতে ওঠার পর বারবারা বা জেনা বলে উঠল, ‘হেই ইউ আর ট্রেন্ডিং’। আমেরিকানরা আমার এবং মিশেল ওবামার বন্ধুত্বে বেশ অবাক হয়েছিল।”

‘দি আউট অব ম্যানি, ওয়ান : পোট্রেইটস অব আমেরিকা’স ইমিগ্র্যান্টস’ বইয়ের লেখক জর্জ ডব্লিউ বুশ বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমেরিকানরা তাদের চিন্তাচেতনায় ব্যাপকভাবে একপেশে। তারা ভাবতেই পারে না জর্জ ডব্লিউ বুশ আর মিশেল ওবামা বন্ধু হতে পারেন।’

এদিকে, ২০১৯ সালে জর্জ ডব্লিউ বুশের মেয়ে লেখিকা জেনা বুশ হ্যাগারকে মিশেল ওবামা বলেন, তোমার বাবা আর আমি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একসঙ্গে বসেছি। আমাদের পরিবার নিয়ে বহু আলাপ করেছি। আমরা ভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষের হলেও আমাদের জীবনবোধ একই।

সংবাদের ধরন : আন্তর্জাতিক নিউজ : নিউজ ডেস্ক