বিস্তারিত

মামুনুলকে নিয়ে বিতর্ক একান্ত তাঁর নিজস্ব বিষয়

ছবি : সংগ্রহকৃত

হেফাজত থেকে কাউকে বাদ দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। এই মুহূর্তে আমরা সকলেই হেফাজত আমিরের পেছনে ঐক্যবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন সংগঠনটির আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

আজ রবিবার বিকেল সোয়া চারটায় চট্টগ্রামের দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসায় হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের সভা শেষ সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় শুরু সভায় সারা দেশ থেকে আগত হেফাজতে ইসলামে কেন্দ্রীয় কমিটির ৩৫ নেতা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বলা হয়, করোনার অজুহাতে দেশের ঐতিহ্যবাহী কওমি মাদ্রাসা বন্ধ করার ষড়যন্ত্র দেশের তৌহিদী জনতা মেনে নেবে না। করোনা মহামারি থেকে মুক্তির জন্য মহান আল্লাহর দরবারে কুরআন তিলাওয়াত, জিকির, তাসবি পাঠ ও দুআ ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। সুতরাং মহান আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার লক্ষ্যে কুরআন ও হাদিসের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো চালু রাখা সরকারেরই নৈতিক কর্তব্য। তাই পবিত্র মাহে রমজানে হিফজখানা, নূরানি ও মক্তব চালু রাখতে হবে।

মসজিদে সুন্নাহ মোতাবেক নামাজ তারাবিহ, ইতিকাফ চলবে। লকডাউনের নামে শরিয়তবিরোধী কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করা যাবে না। যথানিয়মে তাফসির, দাওয়াত ও তালিমের কাজ চালু রাখতে হবে।

সম্প্রতি হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে নিয়ে সৃষ্ট বিতর্ককে একান্ত তার নিজস্ব বিষয় বলে মন্তব্য করেন বাবুনগরী। আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, আজকের সভায় কোনো ব্যক্তিকে নিয়ে আলোচনা হয়নি। মামুনুল হককে নিয়ে যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে তা তার একান্ত ব্যক্তিগত। কাউকে অব্যাহতি দেওয়ার কোনো কথা সভায় উঠে নাই।

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাক মাওলানা যাকারিয়া নোমান ফয়েজী বলেন, ‘সম্প্রতি হেফাজতে ইসলামকে ঘিরে ফেসবুকে নানা রকম অপপ্রচার চলছে। হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে বাদ দেওয়া নিয়ে বেশ জোরেশোরে আলোচনা শোনা যাচ্ছে। তবে এ নিয়ে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলছি, হেফাজত থেকে কাউকে বাদ দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। এই মুহূর্তে আমরা সকলেই হেফাজত আমিরের পেছনে ঐকবদ্ধ।’

সংবাদের ধরন : বাংলাদেশ নিউজ : নিউজ ডেস্ক