বিস্তারিত

“মসজিদে ২০ জন নামাজ পড়ার সিদ্ধান্ত” বাস্তবসম্মত নয়

ছবি : সংগ্রহকৃত

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে এক মসজিদে সবোর্চ্চ ২০ জন নিয়ে নামাজ আদায় করতে হবে- ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এমন সিদ্ধান্ত বাস্তবসম্মত নয় বলে মনে করেন মুসল্লি ও ইসলামি চিন্তাবিদরা। মসজিদের আয়তন অনুসারে জামাতে মুসল্লির সংখ্যা নির্ধারণের পরামর্শ দিয়েছেন ইসলামি চিন্তাবিদরা।

করোনা অতিমারির ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউন চলাকালীন মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত ও তারাবির নামাজে খতিব, ইমাম, মোয়াজ্জিন, খাদেম ও মুসল্লিসহ সর্বোচ্চ ২০ জন একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবে বলে নির্দেশনা জারি করে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

মুসল্লিদের দাবি, এমন সিদ্ধান্তে জামাতে নামাজ আদায় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা। মুসুল্লিরা বলছেন, মসজিদের ধারণক্ষমতা বিবেচনা না করে সব আয়তনের মসজিদের জন্য মুসল্লির একই সংখ্যা নির্ধারণ করা গ্রহণযোগ্য নয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনেক মসজিদে পর্যাপ্ত জায়গা থাকার পরও নামাজ আদায় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।

এ প্রসঙ্গে মুসল্লিরা বলেন, রমজান মাসে মানুষ তো মসজিদে আসবেই। সেখানে ২০ জনের সংখ্যা নির্ধারণ করে দেওয়া কোনোভাবেই বাস্তবসম্মত নয়। কোন ২০ জন নামাজ পড়বে এ নিয়ে মারামারিও লেগে যাচ্ছে অনেক সময়। সবাই মাস্ক নিয়ে নামাজ পরবে এই নিয়ম করে দিলেই সবচেয়ে বেশি ভাল হতো। মসজিদের আয়তন অনুসারে মুসল্লির সংখ্যা নির্ধারণের দাবি তাদের। ৩ ফুট দূরুত্বে নামাজ পরা আর মসজিদের আয়তন অনুযায়ী সংখ্যা নির্ধারণ করাটাই বেশি ভাল হতো। এভাবেই আমাদেরকে নামাজ পড়তে দেওয়া উচিত।

এছাড়া রমজানে রোজাদারদের ইবাদতে আগ্রহের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে এ বিষয়ে দ্রুত যৌক্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের দাবি মুসল্লি ও ইসলামি চিন্তাবিদদের।

সংবাদের ধরন : র্শীষ সংবাদ নিউজ : নিউজ ডেস্ক