বিস্তারিত

প্রিয়াঙ্কা বলেন অনুপ্রেরণার আর এক নাম ‘গ্রেটা’

ছবি : সংগ্রহকৃত

গ্রেটা থুনবার্গ ১৬ বছরের এই সুইডিশ কিশোরী এখন বিশ্বে দরবারে অন্যতম পরিচিত মুখ। জনপ্রিয়ও বটে। যে বয়সে আর পাঁচটা মেয়ে স্কুলে গিয়ে হই-হুল্লোড় করে, সেই বয়সেই পড়াশোনা ছাড়তে একপ্রকার বাধ্য হয়েছে গ্রেটা। তবে স্কুল বন্ধ করলেও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়নি সে। প্রথমে লড়াইয়ে একা নামলেও, ময়দানে আজ তার সঙ্গী হাজার হাজার মানুষ।

গোটা দুনিয়ার কাছে এখন অনুপ্রেরণার আর এক নাম গ্রেটা। বয়সে কিশোরী হলেও তিনি যে একজন প্রাপ্তবয়স্কের মতোই মানুষকে অনুপ্রেরণা দিচ্ছেন এ কথা স্বীকার করলেন বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়াও। অভিনেত্রী বলেন, আজকাল খুব অল্প বয়সেই বাচ্চারা অনেক বেশি সচেতন। নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলে ওরা। জোর গলায় জানিয়ে দিতে পারে কী ধরনের পরিবেশে ওরা বড় হতে চায়। ছোট থেকেই পরিবেশ রক্ষার ব্যাপারেও ওরা সচেতন। বাচ্চাদের এই ভাবনা দেখেই আমার মনে হয়, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের তুলনায় ওরা কোনও অংশে কম নয়। প্রিয়াঙ্কা আরও বলেন, তরুণ প্রজন্মের এটাই সবচেয়ে ভালো লাগে যে ওরা নিজেদের কাঁধে এই বয়সেই কত দায়িত্ব নিয়েছে। এটাই আমাকে অনুপ্রেরণা দেয়।

সম্প্রতি নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের ‘ক্লাইমেট সামিটে’ যোগ দিয়েছিল গ্রেটা। সেখানেই এই সুইডিশ কিশোরীকে একদম অন্যরূপে দেখেছে বিশ্ববাসী। গ্রিন হাউস গ্যাসের নির্গমন রোধে ব্যর্থতার মধ্য দিয়ে তার প্রজন্মের সঙ্গে যে বিশ্বাসঘাতকতা করা হচ্ছে সেই প্রশ্ন তুলেছিল গ্রেটা।

জাতিসংঘের ‘ক্লাইমেট সামিটে’ গ্রেটার বক্তৃতা প্রসঙ্গে প্রিয়াঙ্কা বলেন, ওই বয়সে আমি স্কুল-কলেজ, পোশাক-ফ্যাশন, বন্ধু-বান্ধবে আচ্ছন্ন ছিলাম। ১৭ বছর বয়সে মিস ওয়ার্ল্ড হওয়ার সময়েও এসব ভাবনা মাথায় আসেনি। এত দায়িত্ব বুঝতেই শিখিনি। ৩০ পেরনোর পর পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা এসেছে আমার মধ্যে। সেখানে এই মেয়েটা কিশোরী বয়সেই আমাদের দেখিয়ে দিল যে ভাবনার দিক থেকে ওর প্রজন্ম আমাদের থেকে কতটা এগিয়ে। স্যালুট গ্রেটাকে। ইনস্টাগ্রামে গ্রেটা থুনবার্গের স্পিচ শেয়ার করে প্রিয়াঙ্কা লিখেছেন, ধন্যবাদ তোমায় যে সঠিক সময়ে আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে সবটা দেখিয়ে দিয়েছ। তোমার প্রজন্মকে একত্রিত করে বুঝিয়ে দিয়েছ যে পৃথিবীকে বাচাতে গেলে আমাদের সকলের আরও বেশি করে ভাবা উচিত।

সংবাদের ধরন : বিনোদন নিউজ : নিউজ ডেস্ক