বিস্তারিত

পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ধর্মঘট চলছে

ছবি : সংগ্রহকৃত

নতুন সড়ক আইন সংশোধনসহ ৯ দফা দাবিতে বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান পণ্য পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ধর্মঘট চলছে।

নতুন সড়ক পরিবহন আইন কার্যকরের পর থেকে তা সংশোধনের দাবিতে দেশের বিভিন্ন জেলায় পরিবহন ধর্মঘট চলছে। এর প্রভাব পড়েছে রাজধানীতেও। মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লার কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। সায়েদাবাদ থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট মহাসড়কের সব ধরনের পরিবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। গাবতলীতেও বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। দূর পাল্লার পরিবহন না চললেও হালকা পরিবহন দুই একটা চলছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

বুধবার (২০ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দক্ষিণাঞ্চলগামী প্রায় ২০ জেলায় চলাচলরত গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকামুখী সব যানবাহন বন্ধ রয়েছে।

এ ছাড়া রাজধানীতে চলাচলরত বাসগুলোও বন্ধ করে দিয়েছেন ধর্মঘটকারীরা। শুধু বাস নয়, মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশা- এমনকি ভ্যানও চলাচল বাধা সৃষ্টি করছেন তারা। এসব বাহন চলতে দেখলেই চাকার হাওয়া বের করা কিংবা যাত্রীদের জোর করে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিচ্ছেন ধর্মঘটকারীরা। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন অফিসগামীসহ সাধারণ মানুষ। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ে পিইসি পরীক্ষার্থীরা।

গতকাল রাজধানীর তেজগাঁও কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ঐক্য পরিষদের আহবায়ক রুস্তম আলী খান বলেন, মালিক-শ্রমিকদের আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জরিমানার বিধান ও নির্ধারণ করে যুগোপযোগী, বাস্তবসম্মত ও বিজ্ঞানভিত্তিক সঠিক আইন প্রণয়ন করতে হবে।

তিন দফা দাবি নিয়ে গতকাল বিকেলে সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কার্যালয়ে যান মালিক-শ্রমিক নেতারা। বিআরটিএ চেয়ারম্যান ড. কামরুল আহসানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তারা। বৈঠক থেকে সমঝোতার আভাস মেলেনি।

সংবাদের ধরন : র্শীষ সংবাদ নিউজ : নিউজ ডেস্ক