বিস্তারিত

তুই মেডিকেলে চান্স পাস নাই, তাই তুই পুলিশ

ছবি : সংগ্রহকৃত

রাজধানীতে পরিচয়পত্র দেখতে চাওয়ার জের ধরে এক নারী চিকিৎসক পুলিশ ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন। রোববার (১৮ এপ্রিল) ওই নারীর আচরণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, দেশব্যাপী চলমান সর্বাত্মক লকডাউনের ৫ম দিন রোববার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে এলিফ্যান্ড রোডে ওই চিকিৎসকের গাড়ি থামিয়ে পরিচয়পত্র দেখতে চান পুলিশ সদস্যরা। এতে ওই চিকিৎসক ক্ষোভ প্রকাশ করে পুলিশ সদস্য ও ম্যাজিস্ট্রেটকে তুই-তুকারি করতে থাকেন।

চেকপোস্টে আইডি কার্ড দেখতে চাওয়া হলে চিকিৎসক আইডি প্রদর্শন করতে পারেন নি। উল্টো বাগবিতন্ডায় জড়িয়ে পরেন তিনি। নিজেকে বীর বিক্রমের কন্যাও দাবি করেন। তাকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন সাংবাদিকদের কাছে। উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা ও ম্যাজিস্ট্রেট তখন বলেন, ‘আপনাকে হয়রানি করা হচ্ছে না। আপনাকে তো খারাপ কিছু বলা হয়নি। আইডি কার্ড চাওয়া হয়েছে। আপনি এ রকম ব্যবহার করছেন কেন? আমরা তো আইনের কাজই করছি।’

এ পর্যায়ে গাড়িতে উঠে পরেন চিকিৎসক। তখন আবারও উপস্থিত ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে বাগবিতন্ডায় জড়ান তিনি। এসময় তিনি ডাক্তারদের আন্দোলনের ভয় দেখান পুলিশ সদস্যদের। সাংবাদিকদের কাছে নালিশ করেন ওই চিকিৎসক। মোবাইল ফোনে একজন প্রতিমন্ত্রীকে যুক্ত করে কথা বলার জন্য ফোনটি ধরিয়ে দেন ঝগড়ারত পুলিশ সদস্যসের হাতেেই।

এসময় উপস্থিত একজন সাংবাদিককে ওই চিকিৎসক বলেন, ‘সাংবাদিক ভাই শুনেন, দেখেন ডাক্তারদের সাথে কি করতেসে এই হারামজাদা পুলিশ।’ এসময় ডাক্তার হয়রানি বন্ধ করতে হবে বলেও কয়েকবার চিৎকার করেন ওই চিকিৎসক।

এসময় পুলিশ সদস্যরা বলেন, ‘আপনি আমাদের তুই তুকারি করতে পারেন না।’

এসময় ওই নারী চিকিৎসক পুলিশের উদ্দেশ্যে চিৎকার করে বলেন, ‘এই শোন আমি মেডিকেলে চান্স পাইছি বলেই আমি ডাক্তার, তুই চান্স পাসনাই বলেই তু্ই পুলিশ। আমি ডাক্তার, ডাক্তার, ডাক্তার।’ আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সহযোগী অধ্যাপক, যুগ্মসচিব লেভেলের ডাক্তার। আমি ডাক্তারদের নেতা।

এসময় পুলিশ সদস্যরা বলেন, ‘আমরা প্রশাসনের লোক। আমাদের আইডি কার্ডও সাথে আছে।’

সংবাদের ধরন : বাংলাদেশ নিউজ : নিউজ ডেস্ক