বিস্তারিত

জি কে শামীম ১০ দিনের রিমান্ডে

ছবি : সংগ্রহকৃত

অবৈধ অস্ত্র ও মাদক মামলায় আলোচিত যুবলীগ নেতা জি কে শামীমের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এর মধ্যে অস্ত্র মামলায় ৫ দিন ও মাদক মামলায় ৫ দিন। এছাড়া সাত দেহরক্ষীকে অস্ত্র মামলায় ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। সাত দেহরক্ষী হলেন, দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, সহিদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন ও আমিনুল ইসলাম।

আজ শনিবার বিকেলে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানা যায়। শনিবার দুপুর ৩টার দিকে তাদের গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়।

এর আগে গতকাল শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর নিকেতনে নিজ ব্যবসায়ীক কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে যুবলীগ নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীমকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। এ সময় ডলার, মদ, আগ্নেয়াস্ত্র, নগদ টাকা, এফডিআর চেক উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার করা হয় তার দেহরক্ষী সাতজনকে।

র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, শামীমের কার্যালয় থেকে নগদ এক কোটি ৮০ লাখ টাকা ও ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর চেক পাওয়া গেছে। যার মধ্যে ১৪০ কোটি টাকার এফডিআর তার মায়ের নামে, বাকিগুলো তার নামে। এছাড়া ৯ হাজার ইউএস ডলার, ৭৫২ সিঙ্গাপুরি ডলার, একটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং মদের বোতল জব্দ করা হয়েছে। শামীমের দেহরক্ষীদের কাছ থেকে সাতটি শটগান জব্দ করা হয়। বিপুল পরিমাণ গুলি উদ্ধার করা হয়।

জিকে শামীম যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক। একই সঙ্গে তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি।

জানা গেছে, বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় থাকাকালে শামীম ছিলেন ঢাকা মহানগর যুবদলের সহ সম্পাদক এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক গণপূর্ত মন্ত্রী মির্জা আব্বাসের ঘনিষ্ঠ।

রাজধানীর সবুজবাগ, বাসাবো, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় জি কে শামীম প্রভাবশালী ঠিকাদার হিসেবেই পরিচিত। গণপূর্ত ভবনের বেশির ভাগ ঠিকাদারি কাজই জি কে শামীম নিয়ন্ত্রণ করেন। বিএনপি-জামায়াত শাসনামলেও গণপূর্তে এই শামীমই ছিলেন ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তি।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সন্মানদী ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত মো. আফসার উদ্দিন মাস্টারের ছেলে শামীম। আফসার উদ্দিন মাস্টার ছিলেন হরিহরদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিন ছেলের মধ্যে জি কে শামীম মেজো।

সংবাদের ধরন : র্শীষ সংবাদ নিউজ : নিউজ ডেস্ক