বিস্তারিত

অন্তর্বাস বা ব্রা পরে ঘুমানো কি ক্ষতিকর

bdnews24, prothom-alo ছবি : সংগ্রহকৃত

অন্তর্বাস বা ব্রা পরে রাতে ঘুমানো বা সারাক্ষণ ব্রা পরে থাকা ভালো না মন্দ এটা নিয়ে তর্ক-বিতর্কের শেষ নেই। অনেকেই মনে করেন চব্বিশ ঘণ্টা ব্রা পরে থাকা তাঁদের ফিগার সুন্দর রাখতে সহায়তা করে, আবার অনেকেই বলেন যে এই অভ্যাসটি স্তন ক্যান্সারের কারণ! জেনে নিন বিস্তারিত সুবিধা, অসুবিধা ও স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা।

যারা সারাক্ষণ, এমনকি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময়েই অন্তর্বাস বা ব্রা পরে থাকেন তাঁরা প্রায় সকলেই মনে করেন যে এই কাজটি তাঁদের স্তনের আকৃতিকে সুন্দর রাখে। স্তনকে অনেক বয়স পর্যন্ত সুডৌল রাখে ও শেপ নষ্ট হতে দেয় না। কিন্তু আসলে কি তাই?

ব্রা পরা না পরার সাথে আসলে স্তনের শেপ নষ্ট হবার সম্পর্ক খুবই অল্প, কেবল ক্ষেত্র বিশেষেই এটা হতে পারে।
আর নারীদের স্তনের শেপ ক্রমশ নষ্ট হবার মূল কারণ হচ্ছে বয়স, গ্রাভিটি, সন্তান জন্মদান, বাড়তি ওজন ইত্যাদি। তাই কেবল স্তন সুন্দর রাখার জন্য সারাক্ষণ ব্রা পরে থাকা অনর্থক।

তবে হ্যাঁ, অনেকেরই স্তনে ব্যথা হয় চাপ লাগবে বা ঘুমাতে অসুবিধা হয়। তাঁরা পরিধান করতে পারেন ব্রা ঘুমের সময়ে। তবে অবশ্যই টাইট ব্রা নয়, বরং ঢিলেঢালা আরামদায়ক ব্রা।

সারাক্ষণ অন্তর্বাস বা ব্রা পরে থাকলে স্তন ক্যান্সার হয়, এমন কোন নিশ্চিত প্রমাণ এখন পর্যন্ত বিজ্ঞানীদের কাছে নেই। কিন্তু কিছু স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে। যেমন ব্রা সারাদিন পরে থাকায় স্তনে র‍্যাশ বা ত্বকের নানান রকম অসুখ হতে পারে। সারাক্ষণ ব্রা পরে থাকার ফলে ঘাম হয়, ফলে নানা রকম ফাঙ্গাল ইনফেকশন হতে পারে।

অন্তর্বাস বা ব্রা ফিতায় কাঁধ ও পিঠে ত্বক ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে, কাঁধ বা পিঠে এবং বুকে ব্যথা হতে পারে। কাপের নিচে কাঠি বসানো ব্রা কিংবা পুশ আপ ব্রা সারাক্ষণ পরে থাকলে স্তনে অস্থায়ী লাম্প দেখা দিতে পারে।

পরবেন কি পরবেন না?
কিছু ক্ষেত্রে সারাক্ষণ ব্রা পরার কোন প্রয়োজন নেই। আপনার কাপ সাইজ যদি কম হয়ে থাকে, অর্থাৎ স্তন যদি আকারে ছোট হয়ে থাকে তাহলে ব্রা পরার কোন প্রয়োজন নেই। কিন্তু অদি আপনার ব্রায়ের কাপ সাইজ হয়ে থাকে ডি বা ডি এর বেশী, অর্থাৎ যদি স্তন আকারে বড় হয়ে থাকে তাহলে ব্রা পরা আপনার জন্য ভালো।
এতে স্তন শেপ হারানোর সম্ভাবনা কমবে এবং আপনি নানান রকমের অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে পরিত্রান পাবেন। তবে অবশ্যই টাইট ব্রা পরিধান করবেন না। এবং সিনথেটিক কাপড়ের ব্রা সারাক্ষণ পরিধান করে থাকবেন না।

সংবাদের ধরন : স্বাস্থ্য কথা নিউজ : নিউজ ডেস্ক