বিস্তারিত

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহসাই খুলছে না

ছবি : সংগ্রহকৃত

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহসাই খুলছে না, সেই বিষয়টি আবারো স্পষ্ট হলো প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে।

রোববার (৩১ মে) সকালে গণভবনে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা আসলে ধাপে-ধাপেই এগোতে চাচ্ছি। যাতে করে এই করোনাভাইরাস দ্বারা আক্রান্তের ঘটনা না ঘটে। কারণ শিক্ষার্থীরা আমাদের ভবিষ্যৎ। কাজেই তাদের তো আমি ঝুঁকিতে ফেলতে পারি না। সে কারণেই এখন আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো উন্মুক্ত করবো না। এই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটাতে পারলে, তারপর পর্যায়ক্রমিক ভাবে আমরা সেগুলো উন্মুক্ত করবো।

এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে আমাদের ছেলে-মেয়েরা স্কুলে যেতে পারছে না, এটা শুধু আমাদের না। সারা পৃথিবী জুড়েই এই অবস্থা। উন্নত দেশগুলোও এক্ষেত্রে যে অবস্থায় আছে আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোও একই অবস্থায় চলে আসতে হয়েছে। আমি এই পরিবেশে শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করবো, ঘরে বসে সবাইকে এই সময়টায় পড়াশোনাটা চালিয়ে যেতে। যেহেতু এখন স্কুল নেই, সেজন্য স্কুলের বইয়ের পাশাপাশি ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিশ্বকে জানার সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। সকলেই বাসায় বসে পড়াশোনা করবে এটাই আমরা আশা করি।

তিনি জানান, নিজের স্বাস্থ্য সবাইকে সুরক্ষিত রাখতে হবে। সেক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধিগুলো অবশ্যই সবাইকে মেনে চলতে হবে। আমরা জানি দীর্ঘদিন সবকিছু বন্ধ ছিলো, একটা কথা মনে রাখতে হবে এভাবে তো আর দেশ চলতে পারে না। অন্য দেশগুলোও ধীরে ধীরে অর্থনৈতিক ক্ষেত্র, যাতায়াত, সবকিছুই আসলে উন্মুক্ত করছে। আমরাও সেই পদ্ধতিতে যাচ্ছি। আমরা যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছিলাম যে কারণে হয়তো আমরা করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার হার ও মৃত্যু নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছি।

সুরক্ষিত থাকার প্রচেষ্টা সবক্ষেত্রে সবাইকেই মেনে চলার বাধ্যবাধকতা বজায় রাখতে হবে। সকলে যদি স্বাস্থ্যবিধিটা যথাযথভাবে মেনে চলেন, এটা শুধু নিজের জন্য না, পরিবার, প্রতিবেশীসহ সবাইকেই রক্ষা করা সম্ভব হবে। সেটাই সবাই মেনে চলবেন বলে আমরা আশা করছি। যাতে সংক্রমণের হারটা আর না বাড়ে।

সংবাদের ধরন : র্শীষ সংবাদ নিউজ : নিউজ ডেস্ক