বিস্তারিত

শহিদ কাপুরের স্বাস্থ্যকর জীবনের রহস্য

ছবি : সংগ্রহকৃত

ইশক ভিশক’ থেকে শুরু করে ‘কবীর সিং’-এর মতো সিনেমা হোক বা কমেডি থেকে রোম্যান্স ও অ্যাকশন হিরো হিসেবে নিজেকে তুলে ধরা শহিদ কাপুরের বিবর্তন তার ফ্যানেদের মনকে দোলা দিয়েছে সফলভাবেই। দুই সন্তানের বাবা হিসেবে নিজের সমস্ত দায়িত্ব পালন করা বা বক্স অফিসে একের পর এক হিট সিনেমা দেওয়াই হোক না কেন, শত ব্যস্ততার মাঝেও তিনি নিজের শরীর-স্বাস্থ্যকে প্রাথমিকতা দিতে ভোলেননি। তাই তো তার ফিট শরীর দেখে মূর্চ্ছা যান ভক্তরা।
স্বাস্থ্যসম্পন্ন লাইফস্টাইল ও খেলোয়াড় সুলভ শারীরিক গঠনের জন্য শহিদ যা যা করে থাকেন, তা জেনে নিন এখানে-

১. উন্নত ফিজিকের জন্য যারা মাছ-মাংস খেয়ে থাকেন, তাদের তালিকায় পড়েন না শহিদ কাপুর। বাবা পঙ্কজ কাপুরের দেওয়া ব্রায়ান হাইনসের বই ‘লাইফ ইস ফেয়ার’ পড়ার পর প্রায় এক দশক আগে নিরামিষাশী হন শহিদ। রাধা স্বামীর ভক্ত পঙ্কজ কাপুররা। এই সংস্থাটি প্রাণী হিংসার বিরোধী।

২. দীর্ঘদিন ধরে নিরামিষাশী থাকার পর ভেগানে পরিণত হন জার্সি অভিনেতা।

৩. কয়েক বছর আগে ভেগানে পরিণত হওয়ার পর শহিদ দুধ ও দুগ্ধজাত দ্রব্য এবং গ্লুটেনজাত খাদ্য দ্রব্য ছেড়ে দেন। দুধ ও দইয়ে সামান্য হলেও চিনি থাকে এবং গ্লুটেন ফ্রি লাইফস্টাইল যে শুধু হজম শক্তি ভালো রাখে তাই নয়, বরং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ও এনার্জি লেভেল উন্নত রাখতেও সাহায্য করে।

৪. সিমন জে হিল ও তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট প্লান্ট প্রুফ-এর ফ্যান তিনি। নিজস্ব ফিটনেস অ্যাপ V-Fit লঞ্চ করা ও আন্ত্রেপ্রেনিওরে পরিণত শহিদ, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্য সম্পন্ন জীবনযাপনের প্রতি তার ঝোঁককে সর্বদা উঁচুতেই নিয়ে গিয়েছেন।

৫. এটি বিশ্বাস করা হয়ত কঠিন যে, রুপোলি পর্দায় রাগী ও মাদকাসক্ত কবীর সিংয়ের নাম ভূমিকায় অভিনয় করা শহিদ নিজের আসল জীবনে ধূমপান ও মদ্যপান থেকে শত মাইল দূরে থাকেন। কিন্তু রিয়েল লাইফে এমনই শহিদ কাপুর। গত বছর GQ-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শহিদ জানান, আমি মদ্যপান করি না। তবে মাঝে মধ্যে ধূমপান করি। আমি নিজেকে নন-স্মোকার মনে করি। তবে স্মোকিংয়ের নানান পর্যায় অতিক্রম করেছি আমি। বর্তমানে শহিদ প্রোটিন সমৃদ্ধ ফল ও সবজিকে নিজের খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করেছেন।

শাহিদ কাপুর একজন ভারতীয় অভিনেতা। তিনি হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। শাহিদ কপুর অভিনেতা পঙ্কজ কাপুর ও অভিনেত্রী নীলিমা আজিমের ছেলে। শাহিদের বয়স যখন তিন বছর, তখন তাঁর বাবা-মায়ের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর শাহিদ তাঁর মায়ের সঙ্গে থাকতেন। ১০ বছর বয়সে শাহিদ মায়ের সঙ্গে মুম্বই চলে আসেন। সেখানে তিনি শিয়ামক দাবারের ড্যান্স অ্যাকাডেমিতে যোগ দেন। ১৯৯০-এর দশকে কয়েকটি চলচ্চিত্রে শাহিদ সহ-নৃত্যশিল্পী হিসেবে কাজ করেন। পরবর্তীকালে তিনি কয়েকটি মিউজিক ভিডিও ও টেলিভিশন বিজ্ঞাপনেও অভিনয় করেন।

সংবাদের ধরন : বিনোদন নিউজ : নিউজ ডেস্ক