বিস্তারিত

মিডিয়ায় কাজ করতে শয্যাসঙ্গী হতে হয়

ছবি : সংগ্রহকৃত

মিডিয়ায় কাজ করতে গেলে মেয়েদেরকে সেক্রিফাইস করতে হয়। আপোষ করতে হয়। শয্যাসঙ্গী হতে হয়। সাম্প্রতিক সময়ে এই বিষয়টি শোবিজ পাড়ায় বেশ আলোচিত হচ্ছে। এরই মধ্যে নায়িকা প্রসূন আজাদের সঙ্গে ঘটে একটি ঘটনা। সেটি তিনি ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তুলে ধরেন।

তিনি লিখেন ‘একজন কল দিয়ে বললো- আপা আমাদের কিছু এক ঘণ্টার নাটক আর টেলিফিল্ম বানানো হবে। কথাটা কিভাবে বলবো, মানে প্রডিউসার, আপা নির্ভয়ে বলবো? আমি বললাম প্রডিউসার কি শুতে চায়? উনি বললেন- জী আপা মানে পারিশ্রমিক তো দিবেন উনি, তা বাদে কত টাকা নিবেন জানতে চাইলো। বললাম প্রডিউসার এর মাকে কল করেন। প্রডিউসারের মা কত নেয় জানতে চান।’ নিজের ফেসবুকে এভাবেই লিখলেন অভিনেত্রী প্রসূন আজাদ।

এই চিত্র শুধু বাংলাদেশে নয়, হলিউড-বলিউড সব জায়গায় দেখা যায়। কিছুদিন আগে হলিউড প্রযোজক হার্ভি উইনস্টনের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এনেছেন হলিউডের বেশ কয়েকজন তারকা অভিনেত্রী। পরবর্তীতে বলিউডের একাধিক অভিনেত্রীও এমন অভিযোগ নিয়ে নিয়ে মুখ খুলেছেন।

সম্প্রতি গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে কালো পোশাক পড়ে যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এছাড়া লেডি গাগাসহ বিশ্বের অনেক জনপ্রিয় তারকা গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে সাদা গোলাপ নিয়ে নারীদের যৌন হয়রানি বন্ধের দাবি তুলেছেন।

বাংলাদেশের শোবিজ অঙ্গনে যে এমন ঘটনার মুখোমুখি হচ্ছেন অভিনেত্রীরা প্রসূন আজাদের স্ট্যাটাসে সেই বিষয়টিই সামনে এলো। এ ধরণের কুরুচিপূর্ণ মানুষের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর দাবি এখন বিশ্বের অনেক তারকার।

হলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি, বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া থেকে শুরু করে বাংলাদেশের অনেক শিল্পীই এই বিষয়গুলো নিয়ে সবার মাঝে সচেতনতা তৈরির কথা বলছেন। একইসঙ্গে কর্মক্ষেত্রে নারীদের যৌন হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় নানা রকম কর্মসূচি পালিতে হচ্ছে।

সংবাদের ধরন : বিনোদন নিউজ : নিউজ ডেস্ক