বিস্তারিত

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই

ছবি : সংগ্রহকৃত

খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দির মুক্তি, সরকারের পদত্যাগ ও নিদর্লীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানালেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। আজ শনিবার বিকেলে মহানগর নাট্যমঞ্চে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে যোগ দিয়ে নেতারা বলেন, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই। আর এই জাতীয় ঐক্য হবে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির।

গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনের ‘জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার’ সমাবেশে যোগ দেন বিএনপি, বিকল্পধারা, খেলাফত মজলিসসহ বিভিন্ন দলের নেতারা। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। তাঁর অভিযোগ, সব ক্ষেত্রে সরকার ব্যর্থ হয়েছে, এজন্য তাদের জবাবদিহি করতে হবে। আর জনগণের অধিকার আদায়ে জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন ড. কামাল হোসেন।

বিকল্পধারার সভাপতি বি. চৌধুরী বলেন, ‘একটা মন্ত্রণালয় দেখান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, যেখানে ঘুষ ছাড়া চলে। দুর্নীতি ছাড়া চলে।’

গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘ঐক্য আজকে যে হয়েছে, এই ঐক্যের মধ্য দিয়ে, দেশে মুক্তির যে শক্তি, আজকে এখানকার উপস্থিতি সেটা প্রমাণ করেছে। দেশের মানুষ জেগেছে। দেশের মানুষের জাগরণের মধ্য দিয়েই সেই শক্তি সৃষ্টি হয়, যেটা দিয়ে দেশকে স্বৈরশাসন থেকে মুক্ত করে দেশের মানুষের শাসন, জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠা করবে।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘এই দেশে গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে হলে আমাদের জাতীয় ঐক্য ছাড়া কোনো বিকল্প নাই। এই যে স্বৈরাচার, ভয়াবহ দু:শাসন আমাদের বুকের ওপর পাথর চাপা দিয়ে বসে আছে। এবং দখলদারিত্বের একটি সরকার কায়েম করেছে। তাকে সরাতে হলে জনগণের ঐক্যই হচ্ছে একমাত্র বিকল্প। অন্য কোনো বিকল্প নাই।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘এই সরকার বিনা ভোটে, গায়ের জোরে আজকে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছে। গায়ের জোরে ক্ষমতায় থাকার জন্য, রাষ্ট্রের তিনটি স্তম্ভ সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। বিচার ব্ভিাগকে ধ্বংস করে দিয়েছে। সাবেক প্রধান বিচারপতি জনাব সিনহা সাহেবের বইয়ের লিখনি থেকে আপনারা তার প্রমাণ পেয়েছেন।’

একটি নতুন যাত্রা আমরা শুরু করতে যাচ্ছি উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেন, আশা করি, এই ঐক্য প্রক্রিয়া ক্রমান্বয়ে আরো সুসংহত হবে। আরো সুসংগঠিত হবে। এবং দেশের সকল মানুষকে, সকল দলের, সকল শ্রেণির মানুষকে সংঘবদ্ধ করবে, ঐক্যবদ্ধ করবে এই স্বৈরাচরী সরকারকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য।’

নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না ও জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রবও তাদের বক্তব্যে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার গঠন, নির্বাচনে সেনা মোতায়েন, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন ও তফসিল ঘোষণার আগে বর্তমান সংসদ ভেঙে দেওয়ার দাবি জানান।

সংবাদের ধরন : র্শীষ সংবাদ নিউজ : নিউজ ডেস্ক