বিস্তারিত

মাথা উঁচু করে বাঁচার কথা বললেন ঋতুপর্ণা

ছবি : সংগ্রহকৃত

ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম। সৃজিত মুখোপাধ্যায় থেকে স্বপন সাহা সকলের ছবিতেই দাপটের সঙ্গে অভিনয় করেছেন তিনি। টলিউডের প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর জুটিও ছিল সকলের প্রিয়। বিয়ে করে দুই ছেলে মেয়েকে নিয়ে সংসার, সেই সঙ্গে সামলাচ্ছেন কাজের জগত। এত শক্তি তিনি পান কি করে !

তাঁর উত্তর জানালেন ঋতুপর্ণাই। তিনি ইনস্টাগ্রামে বেশ অ্যাক্টিভ। মাঝে মধ্যেই জীবনের অনেক কিছুই শেয়ার করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। ভাগ করে নেন ভক্তদের সঙ্গে। কয়েকদিন আগে সুশান্ত সিং রাজপুতের আত্মহত্যার খবরে আশাহত হয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘ পোস্টও শেয়ার করেন। এবার তিনি নিজের ছবি পোস্ট করে লিখলেন, ‘মাথা উঁচু করে তাকাও, ভাব ওড়ার কথা।” এমন পজিটিভ ভাবনাই তাঁকে জীবন ও কাজের জগতে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে।

ঋতুপর্ণার জন্ম কলকাতায়। খুব অল্পবয়সেই চিত্রাংশু নামে একটি শিল্পবিদ্যালয় থেকে অঙ্কন, নৃত্য ও হাতের কাজে দক্ষতা অর্জন করেন। মাউন্ট কারমেল স্কুলে তার পড়াশোনা। পরে লেডি ব্রাবোর্ন কলেজ থেকে ইতিহাসে স্নাতক হয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাবিভাগে স্নাতকোত্তর শ্রেণীতে ভর্তি হন। তবে অভিনয় পেশায় মনোযোগ দেবার জন্য পড়াশোনায় ইতি টানতে হয়।

কুশল চক্রবর্তীর বিপরীতে বাংলা ধারাবাহিক সাদা পায়রা (১৯৮৯) দিয়ে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর অভিনয় জীবনের শুরু। তার অভিনীত প্রথম ছবি প্রভাত রায়ের জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত বাংলা ছবি শ্বেতপাথরের থালা (১৯৯২)। তার অভিনীত প্রথম বাংলাদেশী ছবি স্বামী কেন আসামী (১৯৯৭)।

১৯৯৯ সালে বাল্যপ্রেমিক সঞ্জয় চক্রবর্তীকে বিবাহ করেন। সঞ্জয় মবিঅ্যাপস নামে কলকাতার একটি সিইও-এর প্রতিষ্ঠাতা। থ্যালাসেমিয়া রোগাক্রান্ত শিশুদের সাহায্যার্থেও ঋতুপর্ণা নিরলস সহযোগিতা করে থাকেন। ঋতুপর্ণা আউটডোর খেলাধূলার সঙ্গেও যুক্ত। অবসর সময়ে তিনি ব্যাডমিন্টন খেলেন।

সংবাদের ধরন : বিনোদন নিউজ : নিউজ ডেস্ক