বিস্তারিত

বেখেয়ালি চলাফেরা আগামীতে আরও বিপর্যয় নিয়ে আসবে

ছবি : সংগ্রহকৃত

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনার প্রকোপ দিন দিন যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে এতে করে হাসপাতালের বেড দ্রুত বৃদ্ধি করার বিকল্প নেই। এ কারণে সরকার কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালের সংখ্যা বৃদ্ধি করাসহ সব হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি করছে।

রাজধানীর বারিধারায় নিজ বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নতুন ১০টি আইসিইউ বেড উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আয়োজিত সভায় এ কথা বলেন জাহিদ মালেক। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. মাইদুল ইসলাম প্রধান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর জানানো হয়েছে।

সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) একটি মার্কেটকে পুরোপুরি কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতাল করা হয়েছে। হাসপাতালটিতে মোট এক হাজার ২৫০টি করোনা ডেডিকেটেড শয্যা রয়েছে। এখানে ৫০টি আইসিইউ বেড ও ২০০টি এসডিও বেড রয়েছে। এর পাশাপাশি এক হাজারটি আইসোলেশন বেড রয়েছে।

জাহিদ মালেক আরও বলেন, ‘ঢামেক হাসপাতালে ৮০০টির মতো করোনা ডেডিকেটেড শয্যা রয়েছে। এখানে প্রতিটি বেডেই হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা সুবিধা রয়েছে। ঢাকা মেডিকেলে আগের আইসিইউ, এসডিওর সঙ্গে আজ আরো ১০টি নতুন আইসিইউ বেড সংযুক্ত হলো।’

মন্ত্রী বলেন, আমাদের বেখেয়ালি চলাফেরা আগামীতে আরও বিপর্যয় বয়ে নিয়ে আসবে। আমরা যতই হাসপাতালগুলোতে বেড বৃদ্ধি করি এতে কোভিড আক্রান্ত রোগী কমাতে পারব না। আমাদের আক্রান্তের উৎপত্তিতে আরও সচেতন হতে হবে। কোভিড নিয়ন্ত্রণে সরকারের ১৮ নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। মনে রাখতে হবে, মাস্ক ছাড়া আমাদের বেখেয়ালি চলাফেরা আগামীতে আরও বিপর্যয় নিয়ে আসবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন, চিকিৎসকরা সেবা করতে গিয়ে নিজেরা পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েছেন। নিজেদের পরিবারকে সময় দিতে পারেন না, আমরাও তাদের ছুটির ব্যবস্থা করতে পারিনি। যেহেতু এ মহামারি কমে যায়নি এরপরও আমাদের সেবা চালিয়ে যেতে হবে।

তিনি আরও বলের, ‘সম্প্রতি করোনা আক্রান্তের হার তা গত চার মাস অপেক্ষা বহুগুণে বেশি। আমরা প্রস্তুতি হিসেবে হাসপাতালে বেডের সংখ্যা বাড়াচ্ছি কিন্তু এটা সমাধান না। এ থেকে বাঁচতে হলে আমাদের সচেতনতা জরুরি। মাস্ক ছাড়া সামাজিক, ধর্মীয়সহ সব অনুষ্ঠান কিংবা চলাফেরা বন্ধ করতে হবে।

সংবাদের ধরন : র্শীষ সংবাদ নিউজ : নিউজ ডেস্ক