বিস্তারিত

বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিচ্ছে ব্রিটিশ কোম্পানি

bangla news 24 ছবি : সংগ্রহকৃত

বাংলাদেশের ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা সংক্রান্ত দায়িত্ব একটি ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠানকে দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ এই প্রতিষ্ঠানটির সাথে আনুষ্ঠানিক চুক্তি হবার কথা রয়েছে।
নিরাপত্তাজনিত কারণে এ মাসেই শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বন্ধ হয়ে যায় ব্রিটেনে কার্গো বিমান চলাচল। একই ইস্যুতে ইউরোপে কার্গো চলাচল বন্ধেরও সম্ভাবনা রয়েছে।
এমনই প্রেক্ষাপটে একটি ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠানকে নিরাপত্তার দায়িত্ব দেয়ার বিষয়ে চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।
বেসামরিক বিমান চলাচল এবং পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলছেন, এই চুক্তিটি আজই স্বাক্ষর হবার কথা রয়েছে।
বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় এই প্রতিষ্ঠানটি কি ভূমিকা রাখবে?
রাশেদ খান মেনন বলছেন “বিমানবন্দরের নিরাপত্তা পুরো দায়িত্ব যে তাদের ওপর তা নয়, তাদের ওপর সুপার সার্ভিস কনসালটেন্সি এবং সার্ভিস প্রোভাইডারের দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে”।
“তারা পলিসি তৈরির ক্ষেত্রে সাহায্য করবে, সুপাভাইজার হিসেবে আমাদের যারা কর্মী আছে তাদের প্রশিক্ষণ দেবে । তারপরে আমাদের যে ম্যানপাওয়ার আছে তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তারপর তারা যাবে”।
“ডেইলি অপরাশেনের কাজে তারা সংযুক্ত হবে এভাবে যে স্ক্রিনিংয়ের সময় তারা সবসময় থাকবে, প্রতিদিন তারা সুপারভাইজিংয়ের কাজ করবে আর এরপর কনসালটেন্সির কাজ করবে”-বলেন রাশেদ খান মেনন।
শাহাজালাল বিমানবন্দরে যারা এতদিন ধরে কাজ করে আসছেন তাদের সাথে এ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সমন্বয় কিভাবে হবে?
মি: মেনন বলছেন “এটা আমাদের যারা ডাইরেক্টর এয়ারপোর্ট আছেন তারা সমন্বয় করবেন। এতে কোনও অসুবিধা হবেনা”।
ব্রিটেনে কার্গো চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে এবং ইউরোপেও কার্গো চলাচল বন্ধ হয়ে যাবার আশঙ্কা রয়েছে। এখন ব্রিটিশ কোম্পানিকে বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্ব দেয়ার পর কি নিরাপত্তার আশঙ্কা দূর হবে?
বেসামরিক বিমান চলাচল এবং পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন মনে করেন আশঙ্কা দূর হবে।
বিমানবন্দরে এসব কাজে এখন যে লোকবল রয়েছে তারাই কাজ করবে এবং প্রয়োজন নতুন লোক নেয়া হবে বলে জানান রাশেদ খান মেনন।
মি: মেনন জানান. প্রতিষ্ঠানটি স্ক্রিনিংয়ের জন্য নিজস্ব লোক ব্যবহার করবে এবং সুপারভাইজিংয়েও তাদের লোক থাকবে।

সংবাদের ধরন : বাংলাদেশ নিউজ : বিডি নিউজ