বিস্তারিত

বিএনপি কাউন্সিলের নামে তামাশা করছে : হানিফ

ছবি : সংগ্রহকৃত

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এমপি বলেছেন, বিএনপির কাউন্সিল নিয়ে দেশের জনগণ ও দেশের মানুষের মধ্যে কোনো আগ্রহ ছিল না। বিএনপি কোনো গণতান্ত্রিক দলের মধ্যে পড়ে না। কেননা কাউন্সিলের আগেই তারা নেতা নির্বাচন করেছে। তাহলে এই কাউন্সিলের গুরুত্ব কি থাকতে পারে। এর মাধ্যমে বিএনপির এই কাউন্সিল তামাশায় পরিণত হয়েছে। আর এ লোক দেখানো তামাশার কাউন্সিল দেখতে যাওয়ার কোনো যুক্তি আছে বলে আমি মনে করি না। তাই বিএনপির তামাশা দেখতে আওয়ামী লীগ তাদের কাউন্সিলে যায়নি।

আজ শনিবার বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসকথা বলেন।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ড. আবদুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সুবহান গোলাপ, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, কার্যনির্বাহী সদস্য সুজিত রায় নন্দী, আমিনুল ইসলাম প্রমুখ। এর আগে ইউনিয়ন পরিষদের তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের চূড়ান্ত মনোনয়ন এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ওবায়দুল কাদের। তৃতীয় ধাপের ৬৮৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬০৯টির তালিকা প্রকাশ করা হয়।

মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, ভেবেছিলাম ভিশন ২০৩০ দেয়ার আগে উনি পাকিস্তানি ভাবধারা থেকে বেড়িয়ে এসে বিএনপি বিগত দিনগুলোর খুন, হত্যা, পেট্রোলবোমাসহ সব অপরাজনীতির জন্য আজকে কাউন্সিলে বক্তব্য দিয়ে জাতির কাছে ক্ষমা চাইবেন। এটা সবাই আশাও করছিল। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়ার বক্তব্যে আশা করার মত কিছু নেই। তার ভিশন-২০৩০ ঘোষণা করা অর্থহীন।

তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধী নিয়ে বিএনপি ও খালেদা জিয়ার অবস্থান কী তা স্পষ্ট করেনি। এর মধ্য দিয়ে আবার প্রমাণ করলো পাকিস্তানি ভাবধারা, অসুস্থ রাজনীতি ও যুদ্ধাপরাধীদের কাছ থেকে উনি বের হতে পারেননি।

সংলাপের আহবান প্রসঙ্গে হানিফ বলেন, দেশে সংলাপ হয় কোনো সঙ্কট হলে। এখন দেশে এমন কোনো সঙ্কট নাই যে কারো সাথে সংলাপে বসতে হবে। সঙ্কট আছে বিএনপির মধ্যে। তাদের সঙ্কট নিরসনের জন্য আমাদের সঙ্গে সংলাপের কী আছে।

সংবাদের ধরন : র্শীষ সংবাদ নিউজ : স্টাফ রিপোর্টার