বিস্তারিত

বাংলাদেশ রওনা হল ডিজেল বোঝাই ট্রেন

all bangla newspaper ছবি : সংগ্রহকৃত

ট্রেনে ভারত থেকে বাংলাদেশে পাঠানো হল হাই-স্পিড ডিজেল। আজ নুমালিগড় শোধনাগারের শিলিগুড়ি বাণিজ্য টার্মিনাল থেকে ৪২ ওয়াগনের ডিজেলবাহী ‘গুডউইল ট্রেন’ বাংলাদেশের পার্বতীপুর স্টোরেজ ডিপোর উদ্দেশে যাত্রা করে। যাত্রার সূচনা করেন কেন্দ্রীয় পেট্রলিয়াম প্রতিমন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। ছিলেন দার্জিলিংয়ের সাংসদ এস এস আহলুয়ালিয়া।

ট্রেনে আছে ‘বিএস-৩’ গ্রেডের ২২০০ মেট্রিক টন ‘হাইস্পিড ডিজেল’। রাঙাপানি, সিঙ্গাবাদ, রোহনপুর হয়ে মোট ৫১৬ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেবে ট্রেনটি। এর মধ্যে বাংলাদেশের মধ্যে পড়বে ২৬৩ কিলোমিটার রেলপথ। ১৯ মার্চ পার্বতীপুরে গুডউইল ট্রেনকে স্বাগত জানাবেন সে দেশের বিদ্যুৎ ও খনিজমন্ত্রী নজরুল হামিদ।

প্রধান বলেন, আজকের এই ট্রেন দু’দেশের বন্ধুত্ব ও বাণিজ্য সম্পর্কের প্রতীক। ভারত সরকার তাদের উদ্বৃত্ত তেল প্রথমে পড়শিদের কাছেই পৌঁছে দিতে চায়। গত বছর দু’দেশের মধ্যে ১৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইন গড়ার বিষয়ে নুমালিগড় কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ পাওয়ার কর্পোরেশনের মধ্যে যে চুক্তি হয়েছে সেই পাইপলাইন তৈরিতে আরও দু’বছর সময় লাগবে। তার আগে ভারত ট্রেনপথেই বাংলাদেশে তেল পাঠাতে পারে। এতে সময়ও কম লাগবে, দূষণও কম।

নুমালিগড় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এর আগে ২০০৭ ও ২০০৮ সালে তারা জলপথে বাংলাদেশকে মোট ৩৪০০ মেট্রিক টন ডিজেল পাঠিয়েছিল। কিন্তু তারপর বিভিন্ন কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়। জলপথে সময়ও অনেক বেশি লাগে।

বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে জলপথেই তেল আমদানি করে। ২০১৪-১৫ সালে ৪ মিলিয়ন মেট্রিক টন তেল আমদানি করেছে তারা।

নুমালিগড় শোধনাগারে বর্তমানে ৩ মিলিয়ন মেট্রিক টন পরিশোধিত তেল উৎপাদিত হয়। পরিকাঠামো উন্নয়নের পরে সেখান থেকে ৯ মিলিয়ন মেট্রিক টন তেল মিলবে। তখন ভারত সরকার নিয়মিত তেল রফতানি করার জায়গায় পৌঁছবে।

সংবাদের ধরন : র্শীষ সংবাদ নিউজ : স্টাফ রিপোর্টার