বিস্তারিত

বকশীবাজার আদালতে খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের হট্টগোল

ছবি : সংগ্রহকৃত

bd news,bdnews,bdnews24,bdnews24 bangla,bd news 24,bangla news,bangla,bangla news paper,all bangla newspaper,bangladesh newspapers,all bangla newspaper,bangla news paper,bangladesh newspapers,all bangla newspapers,bd news 24,bangla news today,bd news paper,all bangla news paper,bangladeshi newspaper,all bangla newspaper,all bangla newspapers,bdnews,bangla news,bangla newspaper,bangla news paper,bangla news 24,banglanews,bd news 24,bangla news today,bd news paper,all bangla news paper,bangladeshi newspaper,all bangla newspaper,all bangla newspapers

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার শুনানিতে আজ বুধবার বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে খালেদা জিয়া রাজধানীর বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ আদালতে পৌঁছান। এর পরই বিচারক বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামান মামলার কার্যক্রম শুরু করেন।

শুরুতেই আদালত বলেন, ‘আদালত বসার সময় সকাল ৯টা ৩০ মিনিট। কিন্তু আপনারা ১২টায় এলেন, এভাবে চলতে পারে না। আগামীকাল থেকে ১০টায় হাজির হবেন।

আপনারা আগে সাড়ে ১০টায় আসতেন, ১১টায় আসতেন, মেনে নিয়ে বসতাম। কিন্তু ১২টায় আদালতে এলেন, এটা হতে পারে না।’

এ সময় খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আদালতকে বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আমাদের মামলায় অংশগ্রহণ করতে হয়। এ জন্য আমরা দেরি করে এলাম।’

জবাবে আদালত বলেন, ‘আপনারা আইনজীবীরা তো ১০টায় এলেন, আমিও এলাম। কিন্তু ১২টায় শুনানি করতে হলো। এভাবে চলতে পারে না।’

এরপর খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলীকে উদ্দেশ করে বিচারক বলেন, ‘আপনি বিরতির আগে আপনার যুক্তিতর্ক শেষ করবেন। আজ নবম দিনের যুক্তিতর্কের মধ্যে আপনিই পাঁচ দিন চালাচ্ছেন। খন্দকার মাহবুব একদিন, আবদুর রেজাক খান দুদিন বললেন। আর কত দিন বলবেন? প্রসিকিউশন তো মাত্র একদিন বলল।’

এ কথা শুনে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আদালতে হৈচৈ শুরু করেন। এ সময় খালেদা জিয়া আদালতের সামনে একটা চেয়ারে বসেছিলেন। আইনজীবীরা হট্টগোল শুরু করলে তিনি আদালতের দিকে তাকিয়ে থাকেন।

এ সময় ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন বলেন, ‘এটা তো মার্শাল কোর্টের চেয়েও খারাপ নজির। ওয়ান-ইলেভেন ক্যাঙ্গারু কোর্টে এমনভাবে সময় বেঁধে দেয়নি।’ এ সময় জুনিয়র আইনজীবীরা হৈচৈ শুরু করে আদালতের উদ্দেশে বিভিন্ন বক্তব্য দিতে থাকেন।

এ পর্যায়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘বিজ্ঞ আদালত, আপনি আমাকে শুনানি করার জন্য আটকিয়ে দিতে পারেন না, সময় বেঁধে দিতে পারেন না। আসামিকে বলার সুযোগ করে দিতে হবে।’

পরে আবদুর রেজাক খান বলেন, ‘এ মামলায় মূল কথা তিনটি। খালেদা জিয়া আ্যকাউন্ট খুলেছেন কি না? টাকা উত্তোলন করেছেন কি না? ব্যয় করেছেন কি না? তাহলে প্রসিকিউটর কি এসব প্রমাণ করতে পেরেছেন? আমি মনে করি, পারেননি।’

‘যে কারণে আমাদের এতসব যুক্তিতর্কের সময় নিতে হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি হত্যারও বিচার এত বছর পর নিষ্পত্তি হয়নি, রাজীব গান্ধী হত্যা চোখের সামনে হয়েছে। এরপরও এত বছরে তা নিষ্পত্তি হয়নি। তাহলে এখানে আসামিকে শুনতে দিচ্ছেন না কেন? আসামিকে শোনার সুযোগ দিতে হবে।’

এই পর্যায়ে আদালত আবার বলার সুযোগ দেন। এরপর এ জে মোহাম্মদ আলী আবার যুক্তিতর্ক শুরু করেন।

সংবাদের ধরন : র্শীষ সংবাদ নিউজ : নিউজ ডেস্ক