বিস্তারিত

পয়লা বৈশাখ উদযাপনে যেনো অতৃপ্তি রয়ে গেলো

ছবি : সংগ্রহকৃত

আজ শুক্রবার সকাল থেকে রমনা, শাহবাগ, টিএসসি এলাকা ঘুরে দেখা যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নানা রকমের তৎপরতা।

প্রতিবছরের মতো এবারও রমনার বটমূলে সকালে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আর এ অনুষ্ঠানকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর পর মঙ্গল শোভাযাত্রা চলাকালেও পুলিশ-র‍্যাব সদস্যদের নিরাপত্তা বেষ্টনী ছিল দেখার মতো।

আজ পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে রাজধানীবাসীর অনেকেই খুব সকালে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। কিন্তু সকাল ১০টার পর থেকে অনেকেই বাসায় ফিরতে শুরু করেন। শুক্রবার জুমার নামাজের দিন। এদিনে পয়লা বৈশাখ পড়ায় অনেকেই সকালে বাসা থেকে বের হননি। দুপুরের নামাজের পর বেরিয়েছেন।

রাজধানীর ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর, রবীন্দ্র সরোবর, জিয়া উদ্যান ও বিভিন্ন পার্ক এলাকাগুলো ঘুরে দেখা যায়, দর্শনার্থীরা যাঁরা ঘুরতে বেরিয়েছিলেন, প্রচণ্ড গরমে ক্লান্ত হয়ে অনেকেই বিভিন্ন গাছের ছায়ায় আশ্রয় নিয়েছেন।

এদিকে পয়লা বৈশাখের উৎসবে যেকোনো ধরনের নাশকতা, অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে বিকেল ৫টার মধ্যেই সব ধরনের অনুষ্ঠান শেষ করতে বলা হয়েছে।

প্রাণের উৎসবের দিন সরকারের আহবান রেখেছে জনতা। তবে উ‍ৎসবের রঙে জল ঢেলেছে বিকেল ৫টার মধ্যে নববর্ষের অনুষ্ঠান শেষ করার তাড়া।

টিএসসি এলাকায় ৫টা ৫৩ মিনিটে ডজন ডজন পুলিশের বাঁশি বেজে উঠলো একযোগে। মাইকে ঘোষণা আসছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বাইরে থেকে আগত সবাইকে ৬টার মধ্যে ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে।সোহরাওয়ার্দী উদ্যান মানুষশূন্য করতে বিকাল ৪টা থেকেই মাইকে ঘোষণা শুরু হয়, আর সাড়ে ৪টা থেকে উদ্যানের প্রবেশ ফটকগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। ৫টার পর কার্যত মানুষশূন্য হয়ে পড়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। টিএসসি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ছাড়ার ঘোষণায় পয়লা বৈশাখের উৎসব উদযাপনে যেনো অতৃপ্তি রয়ে গেলো।

সংবাদের ধরন : বাংলাদেশ নিউজ : নিউজ ডেস্ক