বিস্তারিত

পোপ তার জীবনের কিছু অজানা অধ্যায়

ছবি : সংগ্রহকৃত

bd news,bdnews,bdnews24,bdnews24 bangla,bd news 24,bangla news,bangla,bangla news paper,all bangla newspaper,bangladesh newspapers,all bangla newspaper,bangla news paper,bangladesh newspapers,all bangla newspapers,bd news 24,bangla news today,bd news paper,all bangla news paper,bangladeshi newspaper,all bangla newspaper,all bangla newspapers,bdnews,bangla news,bangla newspaper,bangla news paper,bangla news 24,banglanews,bd news 24,bangla news today,bd news paper,all bangla news paper,bangladeshi newspaper,all bangla newspaper,all bangla newspapers

পোপ ফ্রান্সিস আর্জেন্টিনার বুয়েনস এইরেসের ফ্লরেন্স শহরে ১৯৩৬ সালে জন্ম। বাবা হোসো মারিও বেরগোগ্লোগিও ছিলেন রেলওয়ের হিসাব রক্ষক এবং মা রেজিনা মারিয়া ছিলেন একজন গৃহিণী। যাজক হিসেবে ১৯৬৯ সালে ৩৩ বছর বয়সে অভিষিক্ত হন তিনি। ঐশতত্ত্ব ও দর্শনশাস্ত্রে তার উচ্চতর লেখাপড়া রয়েছে। এছাড়াও তিনি মনোবিজ্ঞান ও সাহিত্য বিষয়ে তিনি শিক্ষকতাও করেছেন।

২০১৩ সালের ১৩ মার্চ ২৬৬ তম পোপ হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি। আসিসির সাধু ফ্রান্সিসের আদর্শ স্মরণে পোপ হিসেবে তিনি প্রথম ফ্রান্সিস নামটি ধারণ করেন।

তবে পোপ ফ্রান্সিস যেকোন সময়ের পোপদের থেকে আলাদা। তাঁর জীবন তাকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দিকে নিয়ে গেছে। বর্ণাঢ্য এই অভিযাত্রা। তাঁর জীবনের কিছু অজানা অধ্যায় নিয়েই এই আয়োজন।

* বেরগোগ্লিও বাউন্সার হিসেবে কাজ করেছেন। বাউন্সার পেশাটিতে যারা থাকেন তাদের কাজ হলো বিভিন্ন নাইটক্লাব ও বারের দ্বাররক্ষক হিসাবে কাজ করা।

* একজন ঝাড়ুদার হিসেবেও তিনি কাজ করেছেন। এসময়টিতে তাকে মেঝে ঝাড়ু দেয়া এবং মোছার কাজও করতে হয়েছিল।

* পোপ ফ্রান্সিস আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী সকার (ফুটবল) এর বিশেষ ভক্ত। তাঁর পছন্দের দল সান লরেঞ্জো আলমার্গো ফুটবল ক্লাব।

* ট্যাঙ্গো নাচ তার পছন্দের বিষয়। ট্যাঙ্গোর সাথে সাথে মিলঙ্গা নামে আরেকটি নাচের প্রতি তার আগ্রহ আছে। এই নাচটি বেশ পুরনো। ১৮৭০ সালের দিকে নাচটি জনপ্রিয় ছিল।

* মাত্র বাইশ বছরে যখন তিনি যাজকদের প্রশিক্ষণ স্কুলে পড়তেন তখন একটি মেয়ের প্রেমে পড়েন। তিনি তখন বেশ দ্বিধায় পড়ে যান যে কোন চার্চের জীবন বেছে নেবেন নাকি প্রেমটাকেই এগিয়ে নিয়ে যাবেন।

* পোপ ফ্রান্সিস অনেকবার ইংরেজি শেখার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু লাভ হয়নি।

* পোপ হবার পর তাকে ‘স্লাম বিশপ’ নামে ডাকা হত। এর কারণ তিনি শহরের সবচেয়ে গরিব এলাকার জন্য সবচেয়ে বেশি পরিমাণে যাজক নিয়োজিত করেছিলেন।

* বুয়েনেস এইরেসের আর্চ বিশপ হিসাবে দায়িত্ব পালনের সময় তিনি জেল, হসপিটাল, বৃদ্ধাশ্রম ও বস্তিতে অগনিত মানুষের সেবা করতেন। এসময় তিনি আক্রান্তদের পুঁজে ঠাসা পা ধুয়ে দিতেন। পোপ হবার পরেও তিনি এই কাজটি এখনো করেন।

* পোপ তার ব্যক্তিগত জীবনে বিনয়ের ছোট ছোট উদাহরণ রেখে চলেছেন। যেমন সবাই যখন মিটিঙে হাতলযুক্ত চেয়ারে বসেন তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি হাতল ছাড়া চেয়ারে বসেন।

* পোপ সারাবিশ্বের মুসলমানদের এবং অন্যান্য ধর্মের মানুষদের একত্রিত করার চেষ্টা করেছেন। তিনি অর্থোডক্স খ্রিস্টান এবং ক্যথলিকদের মধ্যেকার সংকট নিরসনেও অন্য যেকোন সময়ের পোপদের তুলনায় সচেষ্ট ভূমিকা পালন করেছেন।

সংবাদের ধরন : জীবন যাপন নিউজ : নিউজ ডেস্ক