বিস্তারিত

পেট চালাতে পেশাই বদলেছেন অভিনেতা “জাভেদ”

ছবি : সংগ্রহকৃত

করোনাভাইরাসে দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা লকডাউনের জেরে বন্ধ কাজ। মানুষের হাতে নেই কোনও উপার্জনের উপায়। পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে অবসাদের শিকার হয়ে অনেকেই নিজেকে শেষ করে দেওয়ার মতো চরম সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলেছেন। তবে এরই মধ্যে কেউ কেউ আবার জীবন সংগ্রামে টিকে থাকার জন্য পেশারই বদল করে ফেলেছেন।

আমির খানের সঙ্গে ‘গুলাম’ ছবিতে অভিনয় করেছেন জাভেদ হায়দার। অভিনয় করেছেন ‘চাঁদনি বার’-এর মতো ছবিতেও। সেই অভিনেতাই এখন রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে ঘুরে সবজি বিক্রি করছেন। সম্প্রতি টিকটক ভিডিয়োতে দেখা গেল জাভেদ হায়দারকে যেখানে ‘দুনিয়া মে রহেনা হ্যায় তো’। ঘুরে ঘুরে টম্যাটোর প্যাকেট ক্রেতাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন জাভেদ। বিগ বসের প্রাক্তন প্রতিযোগী ডলি বিন্দ্রা সোশ্যাল মিডিয়ায় জাভেদের সবজি বিক্রি করার ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সেই ভিডিয়ো। করোনাভাইরাসের এমন সংকটকালে অভিনেতার এমন জীবনযুদ্ধ প্রশংসা করেছেন নেটপাড়ার বাসিন্দারা।

করোনার সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় ভুগছেন সবাই। সেটাই স্বাভাবিক। এই উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা থেকে মনের ওপর তৈরি হয় বাড়তি চাপ। আতঙ্ক, অহেতুক রাগ বা অবসাদের লক্ষণও দেখা দিতে পারে। কিন্তু যে কোনও বিপদ মোকাবিলার সময় চাই ধৈর্য, দায়িত্বশীল আচরণ আর সাহস। কিন্তু মানসিক অবসাদের কাছে শেষ পর্যন্ত হার মেনেছিলেন অভিনেতা মনমীত গ্রেওয়াল। অভিনেতা রাজেশ করিরও সোশ্যাল মিডিয়ায় অত্যন্ত মর্মান্তিক পরিস্থিতির বর্ণনা করেছিলেন। আর্জি জানিয়েছিলেন, তিনি বাঁচতে চান।

টেলিভিশন অভিনেতা রাজেশ করির সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানিয়েছিলেন। রাজেশ ‘বেগুসরাই’ নামে একটি শোয়ে অভিনয় করেছিলেন। ফেসবুকে একটি ভিডিয়ো মারফত আবেদন জানিয়েছিলেন, ‘এখন সংকোচ করলে বাঁচা কঠিন হয়ে যাবে। আমার অবস্থা সত্যিই শোচনীয়। তাই আপনাদের কাছে আমি সাহায্যের আর্তি জানাচ্ছি। কবে আবার কাজ হবে জানি না। এও জানি না, ফের কাজ পাব কি না। আপনারা যদি তিনশো-চারশো টাকা করেও অর্থসাহায্য দেন, তা হলে উপকৃত হই।’

সংবাদের ধরন : বিনোদন নিউজ : নিউজ ডেস্ক