বিস্তারিত

নেতৃত্বে দ্বিতীয় প্রজন্ম

bdnews,bd news,bangla news,bangla newspaper ,bangla news paper,bangla news 24,banglanews,bd news 24,bd news paper,all bangla news paper,all bangla newspaper ছবি : সংগ্রহকৃত

bd news,bdnews,bdnews24,bdnews24 bangla,bd news 24,bangla news,bangla,bangla news paper,all bangla newspaper,bangladesh newspapers,all bangla newspaper,bangla news paper,bangladesh newspapers,all bangla newspapers,bd news 24,bangla news today,bd news paper,all bangla news paper,bangladeshi newspaper,all bangla newspaper,all bangla newspapers,bdnews,bangla news,bangla newspaper,bangla news paper,bangla news 24,banglanews,bd news 24,bangla news today,bd news paper,all bangla news paper,bangladeshi newspaper,all bangla newspaper,all bangla newspapers

হাতের কড়ায় গুনে এখন আর হিসাব হয় না। বাটনে চাপ দিলেই পাক্কা হিসাব চলে আসে চোখের সামনে। এনালগ থেকে সিস্টেম পরিবর্তন হয়ে জায়গা করে নিয়েছে ডিজিটাল। পৃথিবী এখন হাতের মুঠোয়। এভাবেই তর তর করে এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব। এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। ব্যবসা-বাণিজ্য, কলকারখানা সবই এসেছে উন্নত নেটওয়ার্কের আওতায়। দ্বিতীয় প্রজন্ম এসবের হাল ধরায় গতি ফিরে এসেছে সবকিছুতে। ঘরে বসেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন দূরের ব্যবসা-বাণিজ্য। তাদের স্বচ্ছ ছোঁয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যও বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের এমন অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যাদের উৎপাদিত পণ্য বিদেশের বাজারের নজর কেড়েছে। দখল করেছে ইউরোপ, আমেরিকা, ভারতসহ বহু দেশে। শিক্ষা-দীক্ষা, আচার-ব্যবহার, নম্রতা-ভদ্রতা সকল ক্ষেত্রে এ দ্বিতীয় প্রজন্ম এগিয়ে। প্রশাসনিক দক্ষতায়ও এসেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। আধুনিকতার সঙ্গে পরিকল্পনায় তারা তাল মিলিয়ে করে যাচ্ছেন। আর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহকর্মীদের সহায়তার কৌশলও তাদের জানা। আর তাই তো তারা সফল ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন। যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে স্থান করে নিয়েছেন নিজেরা। শুরুতেই যাদের পরিকল্পনা ছিল ব্যবসাকে অনেক দূর নিয়ে যাবেন। তাদের সেই চিন্তা-চেতনা ঠিক রেখে যোগ্য উত্তরাধিকারীরাই প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম এগিয়ে নেন পারিবারিক ব্যবসা। দূরদর্শী নতুন প্রজন্ম পূর্বসূরিদের লক্ষ্যকে আরও বিকশিত করছেন সুচারুরূপে। দেশের শীর্ষ কয়েকটি করপোরেট প্রতিষ্ঠান তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এসব কোম্পানির অনেক প্রতিষ্ঠাতা না ফেরার দেশে চলে গেলেও থেমে নেই ব্যবসায়িক অগ্রগতি। দ্বিতীয় প্রজন্মের হাত ধরে আরও সম্প্রসারণ হচ্ছে এসব শিল্প গ্রুপ।
আকিজ গ্রুপ: দেশের অন্যতম শীর্ষ করপোরেট প্রতিষ্ঠান আকিজ গ্রুপ। ২০০৬ সালে মারা যান এর প্রতিষ্ঠাতা শেখ আকিজ উদ্দিন। গ্রুপের দুই ডজন প্রতিষ্ঠান ভাগ করে দিয়ে যান ১০ ছেলের মধ্যে। আকিজ গ্রুপ এখন দুই ভাগে ভাগ হলেও গত ১০ বছরে এর প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিন ডজনের বেশি। একই সঙ্গে বেড়েছে বার্ষিক টার্নওভার ও প্রতিষ্ঠানে জনবলের সংখ্যা। ২০০৬ সালে আকিজ গ্রুপে ৪০ হাজার জনবল থাকলেও এখন তা বেড়ে হয়েছে ৬০ হাজারের বেশি। আকিজ গ্রুপের দাবি ৪০ বছর ধরে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে গ্রুপটি। এ গ্রুপে প্রায় ৬০ হাজার শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তা কাজ করছেন। গ্রুপটির সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য করছে প্রায় অর্ধকোটি মানুষ। এ গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রীয় কোষাগারে রাজস্ব জমা দিচ্ছে বছরে ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা। পাট, বেভারেজ ও টোব্যাকো খাতের নেতৃত্বে রয়েছে আকিজ গ্রুপ। দেশের সবচেয়ে বড় জুট মিলটিও এখন তাদের। বেভারেজের পাশাপাশি গ্রুপের ঢাকা টোব্যাকোও এখন দেশের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান। আকিজ ফ্লাওয়ার মিলস, আকিজ শিপিং লাইন, পারফেক্ট টোব্যাকো কোম্পানি লিমিটেড এর অন্যতম। এ সাফল্যের পেছনে বাবার রেখে যাওয়া নীতিকেই বড় করে দেখছেন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ বশির উদ্দিন। তিনি বলেন, বাবার রেখে যাওয়া ব্যবসা তারা ধরে রাখার চেষ্টা করেছেন। বাবার শেখানো নিয়ম-নীতি মেনে তারা ব্যবসা করছেন। চেষ্টা করে যাচ্ছেন একে আরও বিকশিত করার। তিনি বলেন, আকিজ গ্রুপের পরিবেশক, কর্মী বাহিনী, ব্যবস্থাপনাসহ সামগ্রিক ব্যবসায়িক নীতিতে গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতার একটা বড় প্রভাব রয়েছে। তার বাবার অনুপস্থিতিতেও সবকিছু তার মতো করেই চলছে।
আবুল খায়ের গ্রুপ: ১৯৫৩ সালে বিড়ি ব্যবসায়ী আবুল খায়েরের হাত ধরে আবুল খায়ের গ্রুপের যাত্রা। চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এলাকায় আবুল বিড়ি কোম্পানি থেকেই এই গ্রুপের ব্যবসা শুরু। ১৯৭৮ সালে এর প্রতিষ্ঠাতা আবুল খায়ের মারা যান। এর পর একে একে গ্রুপে যোগ হয়েছে এক ডজনের বেশি মাঝারি ও ভারী শিল্পপ্রতিষ্ঠান। আবুল খায়েরের উত্তরসূরিরা গড়ে তুলেছেন স্টিল মিল, সিমেন্ট কারখানা, চা বাগান, ডেইরি প্রডাক্টসহ অনেক প্রতিষ্ঠান। ১৯৯৩ সালে আবুল খায়ের গ্রুপ স্টারশিপ কনডেন্সড মিল্ক দিয়ে দুগ্ধ খাতে নাম লেখায়। এর পর ১৯৯৬ সালে যোগ হয় স্টারশিপ ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার। ১৯৯৭ সালে আসে মার্কস ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার। আর সিলন চা নিয়ে বাজারে আসে ২০০৪ সালে। দেশের সিমেন্ট খাতের বেশির ভাগ চাহিদা পূরণে সক্ষম আবুল খায়েরের প্রতিষ্ঠান শাহ সিমেন্ট। ১৯৯৩ সালে আবুল খায়ের গরু মার্কা ঢেউটিন দিয়ে ইস্পাত শিল্পে নাম লেখায়। অতি সম্প্রতি তারা বড় ধরনের বিনিয়োগ করেছে একেএস টিএমটি ৫০০ডব্লিউ ইস্পাতের রড উৎপাদনে।
স্কয়ার গ্রুপ: স্কয়ারের শুরুটা ১৯৫৮ সালে। তিন বন্ধু মিলে কারখানা স্থাপন করেন স্যামসন এইচ চৌধুরী। ২০১২ সালে স্যামসন এইচ চৌধুরী প্রয়াত হলেও প্রতিষ্ঠান চলছে আপন গতিতে। গত চার বছরেও সংকটে পড়েনি গ্রুপটি। গ্রুপের সব পণ্যের সুনাম অক্ষুণ্ন রয়েছে। গ্রুপের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন স্যামসন এইচ চৌধুরীর জ্যেষ্ঠ পুত্র স্যামুয়েল এস চৌধুরী।
বাবার অবর্তমানেও সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন সন্তানরা। স্যামসন এইচ চৌধুরীর জীবদ্দশায় ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত গ্রুপের মূল প্রতিষ্ঠান স্কয়ার ফার্মার বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধি ছিল ১৭.৫১ শতাংশ। পরবর্তী তিন বছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭.৮৮ শতাংশে। চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির মুনাফার প্রবৃদ্ধি আরও বেড়েছে। ২০১৪ সালে পুরো ফার্মাসিউটিক্যালস খাত যেখানে ১১.৩৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে, সেখানে স্কয়ার ফার্মার প্রবৃদ্ধি ছিল ২৫.৩৬ শতাংশ। স্কয়ার ফার্মার সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান স্কয়ার ফর্মুলেশন ছাড়াও স্কয়ার টেক্সটাইলস, স্কয়ার ফ্যাশনস ও স্কয়ার হসপিটাল লিমিটেড নামে তিনটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান রয়েছে গ্রুপটির। এর বাইরে স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ, স্কয়ার টয়লেট্রিজ, মাছরাঙা টেলিভিশনসহ ২৪টি সিস্টার কনসার্নও রয়েছে। অংশীদারি রয়েছে ব্যাংক ও বীমা ব্যবসায়।

স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজের অধীন মসলা ও ভোজ্যতেলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য বাজারজাত করা হয় রাঁধুনী, রুচি ও চাষী ব্র্যান্ডের মাধ্যমে। বর্তমানে সংশ্লিষ্ট খাতে এটি মার্কেট লিডার হিসেবে প্রভাব বিস্তার করে রয়েছে। এ ছাড়া স্কয়ার টয়লেট্রিজের অধীন বিভিন্ন প্রসাধনসামগ্রী উৎপাদন ও বাজারজাত করা হয়। এরই মধ্যে স্কয়ার হাসপাতাল দেশের শীর্ষস্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে। ইউনাইটেড হাসপাতালেও বিনিয়োগ রয়েছে স্কয়ার ফার্মার।
প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ: প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা আমজাদ খান চৌধুরী। ১৯৩৯ সালের ১০ নভেম্বর নাটোরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ছিলেন সেনাবাহিনীর বড় কর্মকর্তা। সেখান থেকে অবসর নিয়ে শুরু করলেন দেশ নিয়ে কাজ। দেশে বেকারত্ব কমাতে হবে, দেশের পণ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে এই ছিল ভাবনা। রংপুরে ১৯৮১ সালে রংপুর ফাউন্ড্রি লিমিটেডের (আরএফএল) পথচলা শুরু। দেশে তখন বিশুদ্ধ পানির সংকট। টিউবওয়েল বসানো হচ্ছে পানির জন্য। সে সময় আমজাদ খান রংপুরে টিউবওয়েল তৈরির কারখানা হিসেবে আরএফএল প্রতিষ্ঠা করেন।

১৯৮৫ সালে গড়ে তোলেন এগ্রিকালচারাল মার্কেটিং কোম্পানি, যা বর্তমানে প্রাণ গ্রুপ হিসেবে পরিচিত। এ গ্রুপের উৎপাদন তালিকায় রয়েছে সাড়ে ৩ হাজারের বেশি পণ্য। বদনা থেকে শুরু করে নলকূপ সামগ্রী, প্লাস্টিকের চেয়ার টেবিল থেকে শুরু করে ফ্যান, চিপস-কোমল পানীয় থেকে শুরু করে হলুদ-মরিচের গুঁড়া। ১৯৯৬ সালে ফ্রান্সে ‘প্রাণ’ পণ্য প্রেরণের মাধ্যমে বহির্বিশ্বে রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে আফ্রিকা মহাদেশ ছাড়া এশিয়া, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের ১২৩টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে প্রাণ গ্রুপের পণ্য। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির কর্মীসংখ্যা প্রায় ৬০ হাজারের বেশি। গ্রুপের রয়েছে ২৫টিরও বেশি শিল্পপ্রতিষ্ঠান। আমজাদ খান চৌধুরীর চার সন্তান। তারা হলেন- আজার খান চৌধুরী, ডা. সেরা হক, আহসান খান চৌধুরী ও উজমা চৌধুরী। তাদের মধ্যে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের উপব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন আহসান খান চৌধুরী এবং উজমা চৌধুরী গ্রুপের পরিচালক (করপোরেট ফিন্যান্স) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার সহধর্মিণী সাবিহা আমজাদ পরিবারের দায়িত্ব গ্রহণের পাশাপাশি প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালকের দায়িত্ব পালন করে এসেছেন। আহসান খান চৌধুরী জানান, আমাদের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্বল্পমূল্যে মানসম্পন্ন প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাদ্য সরবরাহ করা। এ লক্ষ্যে আমরা বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছি। তিনি বলেন, বাবার দুটি স্বপ্ন ছিল। এর একটি নাটোরে একটি হাসপাতাল করা। আরেকটি দেশের ডেইরি শিল্পের উন্নয়ন। এ স্বপ্ন সফল হয়েছে।
নাভানা গ্রুপ: বাংলাদেশের একসময়কার সবচেয়ে বৃহৎ শিল্প গ্রুপ ছিল ইসলাম গ্রুপ। ১৯৬৪ সাল থেকে জহুরুল ইসলামের দক্ষ হাতে এটি গড়ে ওঠে। তার ইন্তেকালের পর ইসলাম গ্রুপের নতুন চেয়ারম্যান হন শফিউল ইসলাম কামাল। দায়িত্বে এসেই প্রতিষ্ঠানটির নতুন নাম দেন ‘নাভানা গ্রুপ’। তাদের একাধিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- নাভানা লিমিটেড, নাভানা ব্যাটারিস লিমিটেড, নাভানা রিয়েল এস্টেট লিমিটেড, নাভানা কন্সট্রাকশন লিমিটেড, নাভানা টেক্সটাইল লিমিটেড, নাভানা ইন্টারলিঙ্ক লিমিটেড, বিপণন লিমিটেড, নাভানা ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড, নাভানা কম্পিউটার অ্যান্ড টেকনোলজি লিমিটেড, নাভানা সফটওয়্যার লিমিটেড, নাভানা ইলেক্ট্রনিক্স লিমিটেড, নাভানা ট্যাক্সিক্যাব কোম্পানি লিমিটেড, নাভানা সিএনজি লিমিটেড, নাভানা রিনিউএবল এনার্জি লিমিটেড, নাভানা লজিস্টিক্স লিমিটেড, নাভানা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড, নাভানা ফার্নিচার লিমিটেড ইত্যাদি। শফিউল ইসলাম কামাল ১৯৬৮ সালে ইসলাম গ্রুপে যোগ দেন। বর্তমানে নাভানা গ্রুপ শুধু ইসলাম গ্রুপের খ্যাতি ধরেই রাখেনি বরং আধুনিক উদ্ভাবনা, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার ও সুদক্ষ পরিচালনার মাধ্যমে হয়ে উঠেছে আরও উন্নত, বিখ্যাত ও প্রভাবশালী।
এপেক্স গ্রুপ: ১৯৭৫ সালে অ্যাপেক্স ট্যানারির প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ব্যবসা জীবন শুরু করেন সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী। ইতালিতে চামড়া রপ্তানির মধ্য দিয়ে অ্যাপেক্স ট্যানারির যাত্রা। বিশ্বের ২৫টিরও বেশি দেশে অ্যাপেক্সের জুতা বিক্রি হয়। গড়ে তুলেছেন এক ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে অ্যাপেক্স ট্যানারি, অ্যাপেক্স ফুটওয়্যার, এপেক্স ফার্মা, ব্লু ওশান ফুটওয়্যার, অ্যাপেক্স এন্টারপ্রাইজ, অ্যাপেক্স ইনভেস্টমেন্ট, অ্যাপেক্স অ্যাডভারটাইজিংসহ আরও প্রতিষ্ঠান। দেশের শীর্ষস্থানীয় জুতা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের একটি। বর্তমানে অ্যাপেক্স’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে হাল ধরেছেন ছেলে সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর। অন্যদিকে ‘ঢাকা মেট্রপলিটন’ চেম্বারের এ যাবৎকালের সবচেয়ে তরুণ প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের এখন লক্ষ্য অ্যাপেক্স চামড়া দিয়ে কম দামে সব ধরনের জুতা প্রস্তুত করা। এমনকি চপ্পল থেকে শুরু করে সব বয়সীর ক্রেতাদের জন্য নতুন নতুন প্রোডাক্ট বাজারে আনা।
এসব কোম্পানি ছাড়াও দেশের বেশ কয়েকটি শীর্ষ ব্র্যান্ড যাদের প্রতিষ্ঠাতারা এখন মারা যাননি। কিন্তু তাদের ছেলে-মেয়েরা কোম্পানির সঙ্গে দ্বিতীয় প্রজন্মের হয়ে যুক্ত হয়েছেন এখনই। অর্থাৎ আগামী দিনে তারাই কোম্পানির মূলে থেকে হাল ধরবেন বলে জানা গেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- বেক্সিমকো, বসুন্ধরা, নিটল-নিলয়, ওয়ালটন, রানার, যমুনা ও মেঘনা, পারটেক্স, এসিআই, নাসা, হোসাপ, এস আলম, ওরিয়ন, ইউনিক ও এনভয় গ্রুপ।

সংবাদের ধরন : বিচিত্র খবর নিউজ : স্টাফ রিপোর্টার