বিস্তারিত

তৈরি পোশাক-শিল্প কারখানা খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত

ছবি : সংগ্রহকৃত

প্রাণঘাতী করোনার কারণে প্রায় স্থবির পুরো বিশ্বের অর্থনীতি। বাংলাদেশও তালিকার বাইরে নেই। দেড় মাসের লকডাউনে এরই মধ্যে চাপে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ। করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গেলে লকডাউন চালিয়ে যেতে হবে। কিন্তু অর্থনীতিতে গতি আনতে গেলে লকডাউন তুলে নেওয়া উচিত।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, পর্যায়ক্রমে তৈরি পোশাক ও বিভিন্ন শিল্প কারখানা খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই তৈরী পোশাক কারখানা খোলা রাখার তাগিদ দেয়া হয়েছে।

শ্রমিকদের পরিবহন ব্যবস্থা, থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি, শ্রমিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে বলেও জানান তিনি। প্রতিটি কারখানায় শ্রমিকদের স্বাস্থ্যবিধি মনিটর করা হবে।

রোববার (০৩ মে) দুপুরে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে শিল্প, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সীমিত আকারে চালু রাখা সংক্রান্ত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের সভাপতিত্বে বৈঠকে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ’র সভাপতি, আইজিপিসহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংশ্লিস্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

করোনার কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অর্থনীতি ও জীবিকা বাঁচাতে দেশের রপ্তানিমুখী শিল্পখাতসহ মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারিশিল্পের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যায়ক্রমে খুলে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদ, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞরা। প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে খাতওয়ারি বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে টাস্কফোর্স গঠন করে সিদ্ধান্ত নেয়ার সুপারিশও করেছেন তারা।

সংবাদের ধরন : র্শীষ সংবাদ নিউজ : নিউজ ডেস্ক