বিস্তারিত

জুম্মার নামাজ পড়ে হোয়াইট হাউসের সামনে প্রতিবাদ

ছবি : সংগ্রহকৃত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে হোয়াইট হাউসের সামনে জুম্মার নামাজ আদায় করে শত শত মুসলিম।

স্থানীয় সময় শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের সামনের উদ্যানে ভিন্ন ধরনের প্রতিবাদের আয়োজন করে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন মুসলিম সংগঠন।

প্রতিবাদকারীরা নামাজের সময় ফিলিস্তিনের পতাকার রঙের স্কার্ফ পরে ছিল। এ ছাড়া পূর্ব জেরুজালেম ও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের দখলদারির নিন্দা জানিয়ে প্ল্যাকার্ডও বহন করে।

এ সময় আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশন কাউন্সিলের প্রধান নিহাদ আওয়াদ জানান, ট্রাম্প জেরুজালেমের এক মুঠো মাটিরও মালিক না। তিনি ট্রাম্প টাওয়ারের মালিক। এটি তিনি ইসরায়েলবাসীদের দিয়ে দিতে পারেন।

আরেক প্রতিবাদকারী বলেন, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত ‘শান্তির জন্য নয়’, বরং তা আরো বিবাদের সূচনা করবে।

গত বুধবার জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন ট্রাম্প। ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে চলমান দ্বন্দ্বকে আরো সংকটময় করবে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। এ ছাড়া এই পদক্ষেপ ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের চলমান প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত করবে। ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্তে বেশ শঙ্কিত সৌদি আরবসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা। এ বিষয়ে নিজেদের প্রতিক্রিয়ার কথা জানিয়েছেন তাঁরা। জেরুজালেমে ইসরায়েলের রাজধানী স্থানান্তর ‘ভয়াবহ পরিণতি’ ডেকে আনবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে জর্ডান। একই ধরনের প্রতিক্রিয়া তুরস্কেরও।

জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার গত বৃহস্পতিবার জেরুজালেম, পশ্চিম তীর ও গাজা শহরে বিক্ষোভে নামে ফিলিস্তিনিরা। ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে শুক্রবার ‘বিক্ষোভ দিবসের’ ডাক দেওয়া হয়। এ সময় ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে কমপক্ষে দুই ফিলিস্তিনি নিহত এবং সাত শতাধিক আহত হয়।

শুক্রবারেই ফিলিস্তিনের গাজা শহরে ইসরায়েলের বিমান হামলায় ছয় শিশুসহ কমপক্ষে ২৫ ফিলিস্তিনি আহত হয়। গাজা উপত্যকার শাসক দল হামাসের রকেট হামলার জবাবে এ হামলা চালানো হয় বলে জানায় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।

 

সংবাদের ধরন : আন্তর্জাতিক নিউজ : নিউজ ডেস্ক