বিস্তারিত

করোনার পরিস্থিতি ভয়াবহ, আতঙ্কে আছেন বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা

ছবি : সংগ্রহকৃত

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা ভাইরাসের নতুন নাম দিয়েছে কভিড-নাইনটিন। এদিকে দেশটিতে দিন দিন পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করায় আতঙ্কে আছেন স্থানীয়দের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা। করোনা ভাইরাসে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১০৭ জনে। চীনের বাইরে ফিলিপিন্স ও হংকংয়ে দুই চীনা নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা আগের থেকে কিছুটা কমেছে।

হুবেই প্রদেশের উহান শহরে নতুন ধরনের এ করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের খবর আসার পর সোমবার একদিনেই সর্বোচ্চ সংখ্যক রোগী ১০৮ জন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ১০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে হুবেই প্রদেশে। চীনে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৪ হাজার ১৩৮ জন। বিভিন্ন দেশ মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৪ হাজার ছাড়িয়েছে।

সিঙ্গাপুরে আরও দু’জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন যার একজন বাংলাদেশি। এর আগে দেশটিতে করোনা ভাইরাসের মোট ৪৫ জন রোগী শনাক্ত হয়। তার মধ্যেও একজন বাংলাদেশি ছিলেন। বর্তমানে রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৪৭ জনে দাঁড়ানোর পাশাপাশি আক্রান্ত বাংলাদেশির সংখ্যাও বেড়ে দু’জন হলো।

নতুন রোগীর মধ্যে বাংলাদেশি ব্যক্তির বয়স ৩৯ বছর। তিনি সেলেটার অ্যারোস্পেস হাইটে কাজ করেন। এর আগে যে বাংলাদেশি আক্রান্ত হন, তিনিও ওই এলাকায়ই কাজ করেন। তবে তারা এক বাড়িতে থাকতেন না।

গত ৬ ফেব্রুয়ারি তার মধ্যে করোনা ভাইরাসের লক্ষণ বুঝতে পারেন তার পরদিন তিনি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। হাসপাতালে ভর্তির আগ পর্যন্ত তিনি বীরাস্বামী রোডের ভাড়া করা বাসায় ছিলেন।

বাংলাদেশে এখনও করোনা ভাইরাস সংক্রমিত হয়নি। সিঙ্গাপুর বাদে অন্য কোনো দেশে কারও আক্রান্ত হওয়ার খবরও এখনও মেলেনি।

সংবাদের ধরন : আন্তর্জাতিক নিউজ : নিউজ ডেস্ক