বিস্তারিত

কক্সবাজারে সুগন্ধা পয়েন্টে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে সংঘর্ষ

ছবি : সংগ্রহকৃত

কক্সবাজার শহরের কলাতলীর সুগন্ধা পয়েন্টে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে গিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে পুলিশ, সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বুলডোজার দিয়ে দোকানপাট উচ্ছেদকালে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযানে গিয়ে ব্যবসায়ীদের প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয় প্রশাসনের যৌথ টিম। ব্যবসায়ী ও দোকান কর্মচারীরা কাফনের সাদা কাপড় পরে প্রতিবাদ জানান। উচ্ছেদ অভিযান শুরুর সঙ্গে সঙ্গে ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ থামাতে ফাঁকা গুলি, রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুঁড়ে পুলিশ। প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলমান ছিল। পুলিশের শক্ত অবস্থান ও প্রতিরোধের মুখে বিক্ষোভকারী দোকানদাররা পিছু হটে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত আছে।

সংঘর্ষে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), যমুনা টিভির কক্সবাজার প্রতিনিধি, সাংবাদিক সহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশনার আলোকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও কক্সবাজার পৌরসভা যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে। গত ১ অক্টোবর আপিল বিভাগ কক্সবাজারের কলাতলী এলাকায় সৈকত সংলগ্ন ৫২ দোকান উচ্ছেদের আদেশ দিয়েছিলেন।

উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কক্সবাজার জেলা প্রশাসন এবং কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আজ যৌথভাবে এই অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করতে যায়। তখন এগুলোর মালিক এবং দখলদারেরা জড় হয়ে প্রথমে উচ্ছেদে বাধা দেয়। একপর্যায়ে পুলিশের ওপরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। অবৈধ দখলদারেরা এ সময় তারা বুলডোজারের সামনে শুয়ে পড়ে এবং পুলিশের ওপরে চড়াও হয়।

একপর্যায়ে অবৈধ দখলদারদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ রাবার বুলেট এবং টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে। এতেও অবৈধ দখলদাররা না সরলে পুলিশ প্রায় ২০ রাউন্ড ফাকা গুলি বর্ষণ করে।

অভিযানে রয়েছেন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব আবু জাফর রাশেদ, কক্সবাজার সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর), সদর মডেল থানার ওসি নেতৃত্বাধীন টিম।

 

সংবাদের ধরন : বাংলাদেশ নিউজ : নিউজ ডেস্ক