বিস্তারিত

ইসলাম ধর্মকে ব্যবহার করে কেউ যেন অপরাধ করতে না পারে : প্রধানমন্ত্রী

bangladesh pratidin ছবি : সংগ্রহকৃত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পবিত্র শান্তির ধর্ম ইসলামকে ব্যবহার করে কেউ যেন অপরাধ সংঘটন, জঙ্গিবাদ সৃষ্টি ও কুৎসা রটনা না করতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখার জন্য খতিব-ইমামদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘আপনারা দয়া করে দেখবেন পবিত্র শান্তির ধর্ম ইসলামকে কেউ যেন বিপথে ঠেলে দিয়ে এই ধর্মের নামে কোনো অপরাধ সংঘটন করতে না পারে। কোন কুৎসা রটনা করতে না পারে।’
তিনি বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলাম সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ সমর্থন করে না। যারা ইসলামের নাম ভাঙ্গিয়ে একে হেয়-প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করে তারা সত্যিকারের ইসলামে বিশ্বাস করে না। ধর্ম নিয়ে যেন কোন বারাবারি না করা হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখার জন্যও প্রধানমন্ত্রী আলেম সমাজের প্রতি আহবান জানান।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং জাতীয় খতিব সম্মেলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরস’র চেয়ারম্যান ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। স্বাগত বক্তৃতা করেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ে সচিব মোহাম্মদ আব্দুল জলিল। খতিবদের পক্ষ্যে বক্তৃতা করেন জাতীয় খতিব কাউন্সিলের আহবায়ক জামিয়াতুল ফালাহ মসজিদের খতিব মাওলানা জালালুদ্দিন আল ক্বাদরী। ইসলামিক ফাউন্ডেশনে মহা পরিচালক শামিম মোহাম্মদ আফজাল ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কার্যাবলী তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরস’র সদস্যবৃন্দ, সরকারের বিভিন্ন উচচপর্যায়ের কর্মকতৃাবৃন্দ, কূটনৈতিক মিশনের সদস্যবৃন্দ এবং আলেম ও ওলামা সমাজের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী আলেম সমাজের উদ্দেশ্যে বলেন, আমার কষ্ট হয় কখনও কখনও জঙ্গিবাদ নাম নিয়ে যখন ইসলাম ও জঙ্গিবাদকে এক করে ফেলা হয়। মুষ্টিমেয় লোকেদের জন্য আমাদেরকে এত বড়ো দুর্নাম বয়ে বেড়াতে হয়। কাজেই ইসলামে যে জঙ্গিবাদের স্থান নেই, সন্ত্রাসবাদের স্থান নেই, ইসলাম যে পবিত্র ধর্ম শান্তির ধর্ম এই বিশ্বাসটা যেন মানুষের মধ্যে আসে। সে বিষয়ে আপনাদের সহযোগিতা কামনা করি।
তিনি বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশ জঙ্গিদের দেশে পরিণত হয়। ’৭১ সালে পাকিস্তান যেভাবে হত্যা চালিয়েছিল, ঘর-বাড়ি মানুষ পুড়িয়ে দিয়েছিল। তারাও সেভাবে করেছে।
একজন মসুলমান কিভাবে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করতে পারে প্রশ্ন উত্থাপন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাকে বহুবার হত্যার প্রচেষ্টা হয়েছে। আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পরিচালিত আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় আইভি রহমান সহ ২২ জন নেতা-কর্মী নিহত হয়, বহু লোক পঙ্গুত্ববরণ করে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়েছেন। মা-বাবা, দাদা-দাদীর কাছে শুনেছি আল্লাহ প্রত্যেক মানুষকেই একটি কাজ দিয়ে পাঠান যতক্ষণ সেই কাজ শেষ না হয় ইনশাল্লাহ আল্লাহই আমাকে হেফাজত করবেন।’
শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু যেমন ছিলেন একজন খাঁটি বাঙালি, তেমনি ছিলেন মনেপ্রাণে একজন ঈমানদার মুসলমান। এদেশে ইসলামের সঠিক চর্চা এবং গবেষণা পরিচালনার জন্য জাতির পিতা ১৯৭৫ সালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। জাতির পিতা চেয়েছিলেন এদেশে ইসলামের সঠিক বাণী যেন মানুষের কাছে পৌঁছে। ধর্মকে যেন ভুলভাবে মানুষের কাছে তুলে ধরা না হয়।
তিনি ইসলামের প্রসারে বঙ্গবন্ধুর অবদান তুলে ধরতে গিয়ে বলেন, ইসলামের প্রচার-প্রসারে জাতির পিতার সাড়ে তিন বছরের সরকারের অবদান সমকালীন মুসলিম বিশ্বে এক বিরল দৃষ্টান্ত। তিনি আইন করে মদ, জুয়া, হাউজি, ঘোড়দৌড় ও অসামাজিক কার্যকলাপ নিষিদ্ধ করেন।
আওয়ামীলীগ সভাপতি বলেন, বঙ্গবন্ধুই জাতীয় পর্যায়ে ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদ্যাপন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড পুনর্গঠন ও সম্প্রসারণ, বেতার ও টেলিভিশনে দিনের অনুষ্ঠান শুরু ও সমাপ্তিতে কোরআন তেলাওয়াতের ব্যবস্থা গ্রহণ, ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ), শবেকদর ও শবেবরাতে সরকারি ছুটি ঘোষণা, বিশ্ব এজতেমার জায়গা ও কাকরাইল মসজিদ সম্প্রসারণের জন্য জমি বরাদ্দ করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু কওমী শিক্ষা সম্প্রসারণের জন্য জামিয়া মাদানিয়া দারুল উলুম যাত্রাবাড়ী মাদ্রাসার জন্য জমি বরাদ্দের ব্যবস্থা করেন।
তিনি বলেন, যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনকালেও বঙ্গবন্ধু ওআইসি’র সদস্য পদ গ্রহণে সমর্থ হন।
তিনি বলেন, তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নে তাবলিগ জামায়াত পাঠান এবং একাধিক ধর্মীয় প্রতিনিধিদল সৌদি আরবসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রেরণ করেন। আরব-ইসরাঈল যুদ্ধে ফিলিস্তিনী ভাই-বোনদের জন্য ত্রাণসামগ্রী ও মেডিকেল টিম প্রেরণ করেন। হজ্জ যাত্রীরা যাতে স্বল্প ব্যয়ে হজ্জ করতে পারেন এজন্য তিনি ‘হিজবুল বাহার’ নামে একটি জাহাজ ক্রয় করেন। অথচ যা পরবর্তীতে জেনারেল জিয়া ক্ষমতা দখলের পর প্রমোদতরীতে পরিণত করে। জিয়া সরকার মদ ও জুয়ার অবাধ লাইসেন্স প্রদান করে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুসলমানদের শরিয়াভিত্তিক ব্যাংকিং-এর জন্য বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে ‘আইডিবি চার্টার’-এ স্বাক্ষর করেন। তাঁর শাহাদাতের পর এ সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে জামায়াতীরা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু একবারও তারা জাতির পিতার অবদানের কথা স্বীকার করেনি বরং তাঁকে ইসলাম বিদ্বেষী বলে দেশে-বিদেশে অপপ্রচার চালায়।
প্রধানমন্ত্রী পচাত্তরের বিয়োগান্তক অধ্যায় স্মরণ করে বলেন, জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর দেশে শুরু হয় হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি। অবৈধ সরকারগুলো ইসলামের মর্মবাণী উপেক্ষা করে জঙ্গীবাদের উত্থান ঘটায়। দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে আমরা আবার সরকার গঠন করে জাতির পিতার প্রদর্শিত পথে দেশে ইসলামের উন্নয়নে কাজ শুরু করি।
তিনি বলেন, তাঁর সরকার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৪৩টি জেলা কার্যালয় ও এর সকল জনশক্তিকে রাজস্বখাতে স্থানান্তর করে। ‘ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্ট’ গঠন করা হয়। তিনি আরও বলেন, আমরা বায়তুল মুকাররম মসজিদের সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও সম্প্রসারণ কাজ শুরু করি। মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম গ্রহণ করি। দেশব্যাপী ইসলামী প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করি। কিন্তু ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এসে আমাদের নেওয়া উন্নয়ন কর্মকান্ডগুলো বন্ধ করে দেয়। এমনকি জাতীয় মসজিদের সৌন্দর্য্য বন্ধনের কাজও বন্ধ করে দেয়। যাক সেটা আবার আমার হাতেই পরবর্তিতে ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর শেষ হয়েছে।
তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় এসেই দেশে জঙ্গীবাদের উত্থান ঘটায়। আওয়ামী লীগের ২২ হাজার নেতা-কর্মীকে হত্যা করে। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা এবং দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলা চালায়। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর নির্মম নির্যাতন শুরু করে। জামাত নেতাদের গাড়ীতে জাতীয় পতাকা তুলে দেয়। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে শান্তির ধর্ম ইসলামকে তারা কলুষিত করে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ২০০৮ সালে সরকার গঠন করে আবার দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনি। জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করি। জনগণের অধিকার পূনঃপ্রতিষ্ঠা করি।
অনুষ্ঠানে দেশব্যাপী একযোগে কোরআন শরীফ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের মাঝে পবিত্র কোরআনুল করীম বিতরণ করেন।
সারাদেশের ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত এদিন একযোগে ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৭৭০ খানা কোরআন শরীফ বিতরণ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় ইটালিতে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে বলেন, একজন রাষ্ট্র প্রধান ইসলাম এবং সন্ত্রাসী কর্মকান্ডকে সমার্থক হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করলে তিনি তীব্র ভাষায় প্রতিবাদ করেন যদিও সেখানে অনেক দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব থাকলেও তারা প্রতিবাদ করেননি। কিন্তু আমি আমাদের কথা বলে এসেছি,জানান প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম সেখানে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদেও কোন স্থান নেই। সন্ত্রাসীর কোন ধর্ম নাই,তাদের কোন সীমারেখা নাই।
তিনি বলেন,একদিকে তারা সন্ত্রাসের সঙ্গে ইসলামকে সমার্থকভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছে অন্যদিকে ফিলিস্তীনে অন্ত:স্বত্তা মা-বোনের বিরুদ্ধে অত্যাচার নির্যাতন নিয়ে মুখ খুলছে না। কাজেই আমার বক্তৃতায় আমি সে কথাও বললাম-আপনারা ইসলামের নাম নিয়ে জঙ্গিবাদের কথা বলছেন কিন্তু প্যালেস্টাইনে তারা এইভাবে নারী-শিশু হত্যা করছে, অন্তঃস্বত্তা নারীকে হত্যা করছে এটা কি সন্ত্রাস না? এটা কি জঙ্গিবাদ না? এটাও সন্ত্রাস তাহলে সেটা বলেন না কেন!
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আপনাদের কাছে একটা সহযেগিতা চাই, আমাদের ধর্ম নিয়ে কেউ কটাক্ষ করুক সেটা আমরা চাই না। আমি আমার ধর্ম যেভবে পালন করি আমার দেশে অন্য ধর্মাবলম্বী যারা আছে আমি তাদের সন্মান করি, তারাও তাদের মত করে তাদের ধর্ম পালন করবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যার যার ধর্মকর্ম পালনে তাদের তাদের যদি সেই সুযোগ না দেয়া হয় তাহলে বিশ্বের অন্যান্য দেশে যেখানে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা কম তাদের ভাগ্যে কি ঘটবে। আমি এটা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব বলেই মনে করি। আমাদের রাসুল মুহাম্মদ (সা:) এর শিক্ষাও তাই। কাজেই আমরা সবসময় এটাই বিশ্বাস করি যে, যার যার ধর্ম সে সে পালন করবে।
প্রধানমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনের আয়াত- ‘লাকুম দিনুকুম ওয়ালিয়াদিন’ (যার যার ধর্ম তার তার কাছে) উল্লেখ করে বলেন, ‘…যদি বিশ্বাস করি আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এই পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন। তাঁর হুকুম ছাড়া গাছের পাতাও নড়ে না। তাহলে আমাকে এটাও বিশ্বাস করতে হবে, সব সৃষ্টিই সেই মহান আল্লাহ তায়ালার। কাজেই তাঁর নির্দেশই আমাদের মেনে চলতে হবে। পবিত্র কোরআন শরীফে সে শিক্ষাই তিনি আমাদের দিয়েছেন।’
তিনি ইমাম সমাজের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমি আপনাদের অনুরাধ করবো- আজ ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত কোরআন শরীফ বিতরণ হচ্ছে- আলহামদুলিল্লাহ, আমি চাই কোরআন শরীফ পড়ে সত্যিকারে ধর্মে কি বলা আছে সেটাই আমাদের মানুষদের শিক্ষা দিতে। তারা যেন এই জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদের পথ পরিহার করে এবং ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করে। সবাই যার যর মত ধর্ম-কর্ম করবে, এটাই যেন তারা শিক্ষা পায়।
শেখ হাসিনা বলেন, দেশে যদি শন্তিপূর্ণ পরিবেশ থাকে তাহলে ইনশাল্লাহ বাংলাদেশে আর কোন মানুষ গরিব থাকবে না, কেই না খেয়ে কষ্ট পাবে না, কেউ গৃহহারা থাকবে না, প্রত্যেকটা মানুষের উন্নত জীবন যেন হয়, সেটা আমরা করতে পারব- সেই বিশ্বাস আমার আছে। তিনি এ সময় ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত সমৃদ্ধ শান্তিপূর্ণ দেশে পরিণত করার তাঁর সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

সংবাদের ধরন : র্শীষ সংবাদ নিউজ : স্টাফ রিপোর্টার