বিস্তারিত

ইফতার বিক্রয়ের হঠাৎ সিদ্ধান্তে অপ্রস্তুত হোটেল মালিকরা

ছবি : সংগ্রহকৃত

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সারা দেশে সাধারণ ছুটি চলছে। এরই মধ্যে শুরু পবিত্র মাহে রমজান। রমজানে প্রতি বছর বড় বড় হোটেল-রেস্টুরেন্ট ও রাজধানীর বিভিন্ন ফুটপাতে দোকান বসে। করোনা পরিস্থিতিতে এবার রমজানে সরকারি নির্দেশনা মেনে ইফতারির বাজার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বসতে পারবে। কোন অবস্থায় নির্দিষ্ট দোকান ছাড়া ফুটপাতে ইফতারির বাজার প্রদর্শণ ও ক্রয়-বিক্রয় করতে পারবেন না।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী রমযান মাস উপলক্ষ্যে ২৮ এপ্রিল থেকে বড় বড় রেস্টুরেন্টগুলোতে বিক্রয় করা যাবে ইফতার। তবে হঠাৎ এমন সিদ্ধান্তে অপ্রস্তুত রেস্টুরেন্ট ও হোটেল মালিকরা। বেশ কিছু এলাকা ঘুরে দেখা যায় এখন পর্যন্ত খোলা হয়নি খাবারের দোকান। যদি দু একটি দোকান খোলা হয়ছে, তবে সেখানে শুরু হয়নি ইফতার বিক্রির কার্যক্রম।

দীর্ঘদিন লকডাউনে বন্ধ থাকার পর গেল ২৭ এপ্রিল সরকারের এমন নির্দেশনায় একেবারেই অপ্রস্তুত হোটেল মালিকেরা। আর তাই হোটেল খুলতে পারলেও সার্বিক প্রস্তুতি শেষ করে দু একদিনের মধ্যেই ইফতার বিক্রির কার্যক্রম শুরু করতে পারবে বলে জানিয়েছেন দোকানের কর্মকর্তারা।

তবে এর মাঝেও অনেক হোটেল-রেস্টুরেন্ট মালিক অবশ্য ভিন্নমত পোষণ করেছেন। তাদের মতে দুর্যোগ কালীন সময় কতটা বিক্রি করতে পারবেন তাহা নিয়ে চিন্তিত ও উদ্বিগ্ন। সেই দিক বিবেচনা করেন অনেকেই এই সময় না খোলার পক্ষপাতী।

এ প্রসঙ্গে, হোটেল মালিক কামরুল আহসান রুমি বলেন, দীর্ঘদিন লকডাউনে বন্ধ থাকার পর সরকারের এমন নির্দেশনায় একেবারেই অপ্রস্তুত। আর তাই হোটেল খুলতে পারলেও সার্বিক প্রস্তুতি শেষ করে ইফতার বিক্রির কার্যক্রম শুরু করতে পারাটা কষ্টসাধ্য। করোনা নিয়ে দেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব মানতে হবে।

সংবাদের ধরন : বাংলাদেশ নিউজ : নিউজ ডেস্ক