বিস্তারিত

অল্প বয়সে চুল পাকার কারণ!

ছবি : সংগ্রহকৃত

অল্প বয়সে চুল পাকার সমস্যা বেড়েই চলছে। কেন অল্প বয়সে চুল পাকে এর কারণ আগে জানতে হবে। এক্ষেত্রে প্রতিষেধকের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম।

শরীরের অতিরিক্ত অ্যাড্রেনালিন হরমোন এ জন্য দায়ী। অ্যাড্রেনালিন হচ্ছে বৃক্কীয় গ্রন্থি-নিঃসৃত এক ধরনের হরমোন। সাধারণত মানুষ ভীত বা রাগান্বিত হলে অ্যাড্রেনালিন হরমোন মানুষকে শান্ত ও স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে। তবে অত্যধিক মানসিক চাপ বা অশান্তির সময় এ হরমোনের কারণে মানুষের চুলের রং পরিবর্তিত হয়ে যায়।

সাধারণত স্পাইসি ফুড বেশি খাওয়া, ঘুম কম হওয়া, চুলের যত্ন না করা, কম দামি হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করা, জেনেটিক বা হরমোনের সমস্যা এসব কারণে চুলে পাক ধরে।

শুরুতেই পরিচর্যা করলে অনেকাংশে চুল পাকা রোধ করা সম্ভব। সপ্তাহে দুই-তিন দিন তেল গরম করে তা মাথার স্কালপে ভালো করে ম্যাসাজ করতে পারেন। তেল চুলের পুষ্টি জোগায়। আপনার চুলের ধরন অনুযায়ী শ্যাম্পু বাছাই করুন। শ্যাম্পু ব্যবহার করার পর কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। হচুলে খুশকি দেখা দিলে শুরুতেই সাবধান হোন। কারণ অতিরিক্ত খুশকির কারণেও অসময়ে চুল পাকে। সে ক্ষেত্রে সপ্তাহে এক দিন লেবুর রস বা পেঁয়াজের রস স্কালপে দিয়ে ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেললে খুশকি কমে যাবে।

প্রথম যখন দেখবেন চুল পাকতে শুরু করেছে তখন ডিমের কুসুম ও টক দই একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে মাথায় লাগান। এরপর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। হেনা ব্যবহারের ফলে চুল পাকা রোধ হবে এবং চুলের সাদা ভাবটা কম বোঝা যাবে। যারা খুব বেশি রোদে কাজ করেন অর্থাৎ চুলে সরাসরি রোদ লাগে তাদের চুল দ্রুত পাকার প্রবণতা দেখা যায়। সে ক্ষেত্রে রোদে কাজ করলে মাথা ঢেকে রাখুন। অথবা রোদ থেকে ফিরে ক্রিম সমৃদ্ধ শ্যাম্পু দিয়ে চুল শ্যাম্পু করুন। অনেকে চুলে নানা ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করেন। যেমন: জেল, ক্রিম, কালার ইত্যাদি। এসব ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে। সব সময় ভালো ব্র্যান্ড ব্যবহার করা উচিত।

সংবাদের ধরন : স্বাস্থ্য কথা নিউজ : নিউজ ডেস্ক